- সোনালী সংবাদ - https://sonalisangbad.com -

বেনাপোল বন্দরে মাদককাণ্ডে বন্ধ ছিল পণ্য খালাশ প্রক্রিয়া

  • 7
    Shares


বেনাপোল প্রতিনিধি: মাদককাণ্ডে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ব›ধ ছিল দু’দেশের মধ্যে আমদানি রফতানি বানিজ্য ও পণ্য খালাশ প্রক্রিয়া।

ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ ও ২শ বোতল ফেনসিডিলসহ আমদানিকৃত পণ্যবাহী ভারতীয় ট্রাক আটকের ঘটনায় সিএন্ডএফ কর্মচারিকে দায়ি করার প্রতিবাদে সিএন্ডএফ কর্মচারী স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন আমদানি রফতানি বানিজ্যসহ পণ্য খালাশ বন্ধ করে দেয়। পরে তারা কাস্টমস হাউসের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত দু’দেশের আমদানি রফতানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। ফলে উভয় দেশের বন্দর এলাকায় আটকা পড়ে শতশত পণ্যবোঝাই ট্রাক।

বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানিকৃত পণ্যবাহী (ডাব্লিউ ডি এ-৬৬০৩) নম্বর ট্রাকের ওপরে লুকিয়ে রাখা বিপুর পরিমাণ ওষুধ ও ২শ বোতল ফেনসিডিলসহ ভারতীয় একটি ট্রাক আটক করে কাস্টমস কর্মকর্তারা। পরে সিএন্ডএফ এর বর্ডারম্যান আক্তার হোসেনকে মাদক ও ওষুধ পাচারের সাথে দায়ী করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।

বেলা সাড়ে ১০ টার সময় বেনাপোল সিএন্ডএফ কর্মচারী ইউনিয়ন স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে বের হয়ে কাস্টমস হাউজ এর সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর কাস্টমস হাউজের সামনে যশোর বেনাপোল মহাসড়কের ওপর সমাবেশ করে।

সমাবেশে কাস্টমস পারমিট কার্ড কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে ১০ দফা দাবিতে কাস্টমস ও বন্দরের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন।

স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, করোনাকালীন সময়ে কোন বর্ডারম্যান ভারতে যায় না। ভারত থেকে হেলপার ও চালকরা পণ্য বোঝাই আমদানি পণ্য নিয়ে আসে। বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বাংলাদেশ গেটে আমদানি পণ্য বোঝাই ট্রাক তল্লাশি করে বন্দরে প্রবেশের দাবি করা হয়।

 

সোনালী/এমই