বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বিরোধীদের প্রশ্রয় দেয়ার অর্থ ‘দুধ-কলা দিয়ে সাপ পোষা’

স্টাফ রিপোর্টার: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে ঔদ্ধত্য পোষণকারিদের প্রশ্রয় দেয়া ‘দুধ-কলা দিয়ে বিষধর সাপ পোষা’র সামিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ও রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ প্রামানিক দেবু।

তিনি বলেন, সময় থাকতেই এদের বিষদাঁত ভাঙতে না পারলে আগামীতে চড়া মূল্য দিতে হতে পারে- তা বলার অবকাশ রাখে না। মঙ্গলবার ছাত্রমৈত্রীর মতিহার থানা কমিটির সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজশাহী নগরীর ইসলামিয়া কলেজে মহিতার থানা ছাত্রমৈত্রীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোহাগের সভাপতিত্বে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা দেবু আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা রচনায় অন্যতম ভিত হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষ-অসাম্প্রদায়িক চেতনা। একাত্তরে ৩০ লাখ শহিদের রক্তে সেটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপলাভ করেছে। তবে একাত্তরের সেই পরাজিত শক্ররা লেবাস পাল্টে আবারও মাঠে নেমেছে- মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশকে ভিন্নপথে নিতে।

অথচ ইরাক, ইরান, তুরস্কসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশেই ভাস্কর্য রয়েছে। ছাত্রমৈত্রীর সাবেক এই নেতা বলেন, আমরা বাহাত্তরের সংবিধানের পূর্ণ বাস্তবায়ন দেখতে চাই। সে লক্ষ্যে জাতির জনকের ভাস্কর্য-বিরোধী যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তার সাথে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করছি।

এদিকে মতিহার থানা ছাত্রমৈত্রীর সম্মেলনে গিয়াস আহমেদ পলাশকে সভাপতি ও রিদওয়ান আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন থানা কমিটি ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নাজমুল করিম অপু, মনিরুজ্জামান মনির, মহানগর সদস্য সীতানাথ বণিক, মতিহার থানার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সাবেক ছাত্রমৈত্রী নেতা আকছারুজ্জামান সুমন, মহানগর ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি জুয়েল খান, সাধারণ সম্পাদক সম্রাট রায়হান।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর ছাত্রমৈত্রীর সহ-সভাপতি আরাফাত এইচ মারুফ, সাংগঠনিক সম্পাদক ওহি, গালিব, সদস্য রুবেল, রাজশাহী কলেজ শাখার সভাপতি সাধন, সাধারণ সম্পাদক সোহেল প্রমুখ।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ