প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগ

বাগমারা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাগমারায় উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লাইভস্টোক সার্ভিস প্রোভাইডার পদে জালিয়াতির মাধ্যমে লোক নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগটি করেছেন গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের শালজোড় গ্রামের মকছেদ আলীর ছেলে মুর্তজা খান।

তিনি অভিযোগে বলেছেন, বাগমারা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে লাইভস্টোক অ্যান্ড ডেইরী ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট, ফার্মগেট, ঢাকার অধীনে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে লাইভস্টোক সার্ভিস প্রোভাইডার পদে লোক নিয়োগের জন্য প্রিলিমিনারী টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে ৩০ নম্বরের লিখিত ও ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরের দিনই বাগমারা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এলিজা খাতুন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিবুর রহমানের সিল ও স্বাক্ষরিত একটি নোটিশে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

এতে গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের শালজোড় গ্রামের মকছেদ আলীর ছেলে মুর্তজা খান মেধাক্রমে ২য় স্থানে উত্তীর্ণ হন। অথচ রহস্যজনক কারণে ২য় স্থানে উত্তীর্ণ মুর্তজা খানকে বঞ্চিত করে বাগমারা উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে উপজেলার ভবানীগঞ্জ লালপুর এলাকার নূরুজ্জামানকে গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা বানিয়ে ভূয়া জন্মসনদের মাধ্যমে নিয়োগ দেন। অথচ এ নিয়োগের প্রথম শর্ত ছিলো সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

এ বিষয়ে গোবিন্দপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিজন সরকার বলেন, নূরুজ্জামান, নামের কোনো লোক গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে নেই। তাছাড়া আমার ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে ওই পরিচয়ে কোনো লোকের নামে জন্মসনদ কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু করা হয়নি।

বাগমারা উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আতিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে কথা বলার জন্য অনুরোধ করেন।

বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরিফ আহম্মেদ বলেন- এ বিষয়ে একটি অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি দেখা হচ্ছে।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ