পৌনে ৪৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ খালেদের

অনলাইন ডেস্ক: যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ৪২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও পৌনে নয় কোটি টাকা বিদেশে পাচারের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়।

দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, শিগগিরই অভিযোগপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

খালেদ মাহমুদের বিরুদ্ধে গত বছরের ২১ অক্টোবর পাঁচ কোটি ৫৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৯ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগে মামলা করে দুদক। পরে কমিশনের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম মামলার তদন্ত করেন।

তদন্তে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের একাধিক ব্যাংক হিসেবে খালেদ মাহমুদের আরও অর্থের সন্ধান পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে খালেদ মাহমুদের বিরুদ্ধে ৪২ কোটি ৭৫ লাখ ৭০ হাজার ৭৫৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৮ কোটি ৭৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকা পাচারের মাধ্যমে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের অভিযোগ আনা হয়।

দুদকের উপপরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগপত্র দাখিলের সুপারিশ করে সাক্ষ্য-স্মারক দাখিল করেন।

উল্লেখ্য, গেল বছর ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে অবৈধভাবে ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে র্যাব গুলশানের বাসা থেকে খালেদ মাহমুদকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক। খালেদ তখন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পরে যুবলীগ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ