পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি না মেলায় সংকটে ব্যবসায়ীরা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যুরো: আগের এলসির বিপরীতে টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি না মেলায় এখন পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আসেনি। এতে উভয় সংকটে পড়েছে ব্যবসায়ীরা। এদিকে আমদানি হওয়ার কথায় দাম কমলেও পেঁয়াজ না আসায় আবারও বেড়েছে দাম।

জানা গেছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ১৪ সেপ্টেম্বরের পূর্বের এলসি’র পেঁয়াজ না দেয়ায় উভয় সংকটে পড়েছে ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে রপ্তানীকারকরা পেঁয়াজের এলসি বাতিল করে চিঠি না দেয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের আমদানীকারকদের ব্যাংকের সুদ দীর্ঘসময় পর্যন্ত গুনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

এ কারণে ভারতে পেঁয়াজের এলসি করায় ব্যবসায়ীদের অর্থ বদ্ধ হয়ে পড়েছে। এতে করে অর্থ সংকটে পড়ায় অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানীর এলসিপত্র খুলতে পারছে না আমদানিকারকরা। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে আসা ২১৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজের মধ্যে ৬০ ভাগ পেঁয়াজ পঁচে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা বিরাট লোকসানের মুখে পড়েছে।

এদিকে আমদানীকারক বাবুল হাসনাত দুরুল জানান, অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে গত সোমবার ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তাানি বন্ধ করে দেয়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত এলসি করা বা টেন্ডারকৃত পেঁয়াজগুলো বাংলাদেশে প্রবেশে অনুমতি দিলে দু’দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক শহীদুল ইসলাম শহীদ জানান, আমদানিকারকরা আগে ৩শ ৯০ ডলারের এলসি করলেও বর্তমানে ৮শ ডলারের এলসি করলে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ প্রেরণ করবে বলে তাদের জানিয়েছে। এদিকে বাংলাদেশের আমদানিকারকরা তাদের বলেছেন, অতিরিক্ত ডলার দিয়ে এ মুহুর্তে পেঁয়াজ আমদানি সম্ভব নয় ।

অন্যদিকে. ভারতের এলসি’র পেঁয়াজ না আসায় স্থানীয় বাজারে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে, পেঁয়াজের সংকট থাকায় প্রতিদিনই বাজারে দর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ