পেঁয়াজ কাটলে কাঁদতে হয়! রেহাই পেতে করণীয়

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:

প্রতিদিনের রান্নায় লবণের মতই প্রয়োজনীয় ও আবশ্যক একটি উপাদান হল পেঁয়াজ। যদি রান্না না করে ভর্তাও করতে চান, সেখানেও রয়েছে পেঁয়াজের উপস্থিতি। তাছাড়া পেঁয়াজ ছাড়া কোন খাবার সুস্বাদু হয় নাকি!

কিন্তু এই পেঁয়াজ কাটতেই তো যত বিপত্তি। একটি রান্নার জন্য প্রয়োজনীয়  পরিমাণ পেঁয়াজ কাটতেই চোখের পানি-নাকের পানি এক হয়ে যায়। এই সমস্যাটি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে যে সকল কৌশলে তার কয়েকটি জেনে রাখুন।

পানিতে পেঁয়াজ ভিজিয়ে রাখা:

পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং এরপর স্বাভাবিক নিয়মে পেঁয়াজ কেটে নিতে হবে।

পানিতে ভিজিয়ে রাখার ফলে পেঁয়াজের সালফার যৌগ যা চোখে জ্বলুনি তৈরি করে সেটা অনেকখানি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। এতে করে পেঁয়াজ কাটার সময় চোখে ঝাঁজ কম লাগে।

ফ্রিজে রেখে দেওয়া:

পেঁয়াজ কাটার আগে খোসা ছাড়িয়ে ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেফ্রিজারেটরে রেখে দিতে হবে। ফ্রিজ থেকে বের করে পানিতে ধুয়ে নিয়ে এরপর কাটতে হবে। এই নিয়মেও পেঁয়াজ কাটার সময় চোখে ঝাঁজ কম লাগবে।

পেঁয়াজের পেছনের অংশ না কাটা:

পেঁয়াজ কাটার প্রথমেই পেঁয়াজের দুই পাশের অংশ কেটে নেওয়া হয়। কিন্তু ঝাঁজ যেন কম লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে চাইলে পেঁয়াজের পেছনের অংশটি না কেটে রেখে দিতে হবে।

সে অংশটি থাকা অবস্থায় পেঁয়াজ ছিলে প্রয়োজনমত টুকরা করে নিতে হবে। বলা হয়ে থাকে, পেঁয়াজের অংশের অংশে সালফারের উপস্থিতি থাকে সবচেয়ে বেশি। এই অংশটি কাটা না হলে সালফার কম নিঃসৃত হবে এবং ঝাঁজ কম লাগবে।

মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখা:

মোমবাতি থেকে নির্গত তাপ পেঁয়াজের অ্যাসিড এনজাইমকে ল্যাকরিমাল গ্রন্থি পর্যন্ত পৌঁছতে বাধা দেয়। এতে করে চোখে জ্বালাপোড়া ভাব দেখা দেয় না এবং কান্না আসে না। পেঁয়াজ কাটার সময় হাতের কাছে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখতে হবে।

চুইংগাম চিবানো:

চুইংগাম চিবোনোর কারণে মুখ দিয়ে বারবার শ্বাস নিতে হয়। এর ফলে পেঁয়াজ থেকে বের হওয়া ঝাঁজ তুলনামূলক কম মাত্রায় নাকের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে। ফলস্বরূপ চোখে ঝাঁজ ও জ্বলুনি কম কম দেখা দেয়।

সোনালী সংবাদ/এইচ.এ

শর্টলিংকঃ