পবায় ব্রীজের মুখ বন্ধ করে ভরাট করার অভিযোগ

  • 8
    Shares

স্টাফ রিপোর্টার: পবার দামকুড়ায় ফসলী বিলের পানি নিস্কাশন ব্রীজের মুখে মাটি ভরাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে সমস্যা নিরসণে ভুক্তভোগিদের পক্ষ থেকে দামকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য কামরুজ্জামান জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হরিষার ডাইং গ্রামের বিলের পানি একটি ব্রীজের নিচে দিয়ে নিস্কাশন হয়ে থাকে। ওই ব্রীজটি কুলপাড়া থেকে পরিষদে যাওয়ার রাস্তায় অবস্থিত।

এই ব্রীজ দিয়ে ওই এলাকার প্রায় ৬-৭টি বড় বড় বিলের পানি নিস্কাশিত হয়। যা ডাঙ্গের হাট খাড়ি দিয়ে নওহাটায় বারনই নদীতে মিলিত হয়। ব্রীজের সম্মুখ অংশ ক্রয় করেন নগরীর দাসপুকুর এলাকার শফিকুল ইসলাম। যা রেকর্ডমুলে ধানী।

জমি কেনার পর থেকেই তিনি মাটি ভরাটের মাধ্যমে ধানী জমিকে ভিটা করছেন। ধানী জমি ভিটা হলে এবং ব্রীজ দিয়ে পানি নিস্কাশিত না হলে ওই এলাকায় হাজার হাজার হেক্টর জমি ডুবে থাকবে। পাশাপাশি জমিগুলো অনাবাদি হয়ে পড়বে।

শুধু তাই নয় জমিটি ভরাট হলে দুই-তিনটি গ্রামেও পানি উঠবে এবং বাড়ি-ঘর ডুবে যাবে। এছাড়াও কৃষিকাজ না থাকলে অনেকেই বেকার হয়ে পড়বে।

এদিকে শফিকুলকে জমিতে দিনের বেলায় মাটি ভরাট কাজে বাধা দিলে একদিকে গ্রামবাসীকে ভয়-ভীতিসহ মেরে ফেলার হুমকি এবং অন্যদিকে রাতের আধারে মাটি ভরাটের কাজ করছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে অত্র এলাকা ও গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এব্যাপারে জমির মালিক শফিকুল ইসলাম বলেন, তাদের অভিযোগ সঠিক নয়। ওই ব্রীজের মুখ কমপক্ষে ১৫০-২০০ ফুট দুরে। প্রয়োজন হলে আমার নিজের টাকা দিয়ে পাকা ড্রেন করে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে। আর আমি যেহেতু ওই জমি ভরাটের পরে গরু খামার করবো, সেইহেতু আমার নিজের জন্য হলেও ওই ব্রীজটির পানি প্রবাহ সচল রাখতে হবে।

 

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ