নজল ও ভেজাল ওষুধ কেনাবেচা বন্ধে ব্যবস্থা নিন

অসুস্থ হলে জীবন রক্ষায় মানুষ ওষুধ খায়। কিন্তু বাজারে নকল ও ভেজাল ওষুধের কেনাবেচায় মানুষ প্রতারিতই হচ্ছে না, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতেও পড়ছে।
স্কয়ার, বে´িমকো, অপসোনিন, ইনসেপটার মতো নামিদামি কোম্পানির নকল মোড়ক ও বোতল ব্যবহার করে অবৈধ ব্যবসা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। এই অপকর্মে জড়িতরা একাধিকভার গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও লিপ্ত হচ্ছে অপরাধে। তাছাড় ছোটখাটো কয়েকটি বৈষ কোম্পানিও নকল ওষুধ উৎপাদনে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ওষুধ ব্যবসায়ীদের সূত্রেই এসব জানা গেছে।
প্রশাসনের নাকের ডগায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধ াকরখানায় নকল ও ভেজাল ওষুধ তৈরি করে তা পাইকারি দোকানের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। দাম কম হওযায় ব্যবসায়ীরা এসব ওষুধই বেশি আগ্রহী। তবে ক্রেতাদের কাছ থেকে ঠিক দামই আদায় করে থাকেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।
সরকার নকল ও ভেজাল ওষুধের বেচাকেনা বন্দে নানা পদক্ষেপ নিলেও তেমন ফল মিলছে না। গত বছর ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুই হাজার ১৪৫টি মামলা হয়েছে। ১২ কোটি ৪১ লাখ ৬ হাজার টাকা জরিমানাও আদায় করা হয়েছে। আর ৩৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদÐ হয়েছে। সিলগালা করা হয়েছে ৪৪টি প্রতিষ্ঠান। জব্দ করা হয় প্রায় ৩২ কোটি টাকা মূল্যের নকল ওষুধ। এত পদক্ষেপের মধ্যেও নকল ও ভেজাল ওষুধের কারবার থেমে নেই। নতুন কৌশলে বাজারে আসছেই নকল ও ভেজাল ওষুধ।
ক্রেতাদের পক্ষে মানসম্মত ওষুধ চিনে কেনা সম্ভবনা হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রায় ক্ষেত্রেই তা অজানাই থেকে যায়। বিষয়টির গুরুত্ব বুঝেই ওষুধ প্রশাসনের কার্যকর তদারকি জরুরি হয়ে উঠেছে। নকল ও ভেজাল ওষুধ তৈরির কারখানা ও জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি অবৈধ ওষুধের কাঁচামালের ব্যবসা বন্ধ হওযাও দরকার। নকল ও ভেজাল ওষুধের কেনাবেচা বন্ধ না হলে জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি বেড়ে যাবে না বলে পারা যায় না।

শর্টলিংকঃ