নগরীর ফুটপাত কবে পথচারীর হবে

রাজশাহী নগরীর দৃশ্যমান উন্নয়ন অস্বীকার করে যাবে না। অনেক রাস্তাই প্রশস্ত হয়েছে। পাশে ফুটপাতও হয়েছে। আলো ঝলমল হয়ে উঠেছে রাস্তাগুলো। সে তুলনায় নাগরিক সুবিধা বেড়েছে বলা যাবে না।
ব্যস্ততম রাস্তাগুলোর ফুটপাত বেদখল হয়ে গেছে। রাস্তার পাশে ও ফুটপাতের ওপর বেচাকেনা হয় নিত্যপণ্য সামগ্রী। রীতিমতো দোকান সাজিয়ে বসেছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।
ফাস্টফুড থেকে আলু, পটল, ফলমূল, জুতা-স্যান্ডেল, হাঁস-মুরগী সবকিছুই বিক্রি হয় ফুটপাতে। ফলে পথচারীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফুটপাত ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসতে হচ্ছে। সেখানেও দোকান, মালপত্র, নির্মাণসামগ্রী, গাড়ির ভিড়। এমন অবস্থা সাহেব বাজার ও আশপাশের এলাকা জুড়েই। নিউমার্কেটের সামনে, গোরহাঙ্গা রেলগেট ও রেলভবন থেকে জেলা স্টেডিয়াম, ল²ীপুর মোড়, হড়গ্রাম অক্ট্রয় মোড় থেকে কোর্ট স্টেশন, বিনোদপুর, তেরখাদিয়া, সর্বত্রই রাস্তা দখল করেই চলছে অবাধে বেচাকেনা।
ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত রাখতে সিটি কর্পোরেশনের অভিযান চলে যখন, তখন পরিস্থিতির উন্নতি দেখা যায়। কিন্তু সেটা হয় খুবই সাময়িক। দুয়েকদিন যেতে না যেতে আবারও পূর্ব অবস্থা ফিরে আসে। কারও নজরে পড়ে না নিত্যদিনের নাগরিক বিড়ম্বনা।
নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের। মাঝে মধ্যে উচ্ছেদ অভিযানের বেশি কিছু করতে দেখা যায় না কেন, সে প্রশ্ন সবার। উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি পুনর্বাসন কার্যক্রম ছাড়া যে এ ক্ষেত্রে স্থায়ী সমাধান আশা করা যায় না সেটা না বুঝার কারণ নেই। পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারিও গুরুত্বপূর্ণ।
বিষয়টি আন্তরিকভাবে বিবেচনায় নিলে নগরীর ফুটপাত পথচারীর হতে বেশি সময় লাগার কথা নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের বেশি আর কি-ইবা করতে পারি আমরা!

শর্টলিংকঃ