নগরীতে কমছে মাস্কের দাম

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের সবখানেই করোনাভাইরাসের আতঙ্ক। প্রাণঘাতী এ ভাইরাস থেকে নিরাপদে থাকতে প্রায় প্রত্যেকেই ব্যবহার করছেন মাস্ক। এ কারণে সম্প্রতি রাজশাহীতে মাস্কের চাহিদা অনেক বেড়েছে। বাড়তি চাহিদার সাথে সাথে বেড়েছিল দামও। তবে গত কয়েকদিন থেকে মাস্কের দাম কমতে শুরু করেছে।
নগরীর সাহেববাজারের আশপাশে রাস্তার ধারে অনেকগুলো মাস্কের দোকান। সোমবার দুপুরে দেখা যায়, বিভিন্ন রকমের মাস্ক নিয়ে বসে আছেন দোকানিরা। কয়েকদিন মাস্ক বিক্রি করতে ব্যস্ত সময় পার করলেও এখন ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। কমেছে ক্রেতার সংখ্যাও মাঝে মাঝে দুই একজন এসে একটি করে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
বিক্রেতারা বলছেন, কয়েকদিন আগেও চাহিদা বেশি ছিলো। একেকজন দুই-তিনটি কিনতেন। তবে এখন চাহিদা অনেক কমেছে। অনেকক্ষণ পর পর হয়তো একজন দুইজন আসছেন। তারা একটি করে কিনছেন।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগেও যে মাস্কের দাম ছিলো ৮০ টাকা, সেটি এখন কমে ৫০ টাকা হয়েছে। এছাড়াও যে মাস্কের দাম ছিলো ৪০ থেকে ৫০ টাকা সেই মাস্ক এখন ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
নগরীর সাহেববাজারে মাস্ক নিয়ে বসে ছিলেন বিক্রেতা মোখলেসুর রহমান। তিনি বলেন, মাস্কের দাম ও চাহিদা দুটোই কমেছে। কয়েকদিন লোকজন অনেক বেশি কিনেছেন। এখন সবাই মাস্ক ব্যবহার করছেন। আগে দিনে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার ওপর মাস্ক বিক্রি হতো। কিন্তু এখন ২০০ টাকাই হচ্ছে না।
মোখলেসুর বলেন, লোকজন আর তেমন মাস্ক কিনছেন না। তাই যতগুলো আছে সবাই কম দামেই বিক্রি করার চেষ্টা করছে। মাস্ক ধরে রাখলে লাভ হবে না। যে কয়টি বিক্রি হবে সেটিই লাভ হবে।
মাস্ক কেনার পর ফজলুর রহমান নামে এক ব্যক্তি বলেন, দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হবার পর মাস্কের চাহিদা বেড়েছিল। তখন অসাধু বিক্রেতারা দাম বাড়িয়েছিলেন। এখন প্রত্যেকেরই মাস্ক আছে। চাহিদা কম। সে জন্য ব্যবসায়ীরা দাম কমাতে বাধ্য হয়েছেন।

শর্টলিংকঃ