ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় ছয় মাসের শিশুকে

অনলাইন ডেস্ক: হত্যার দীর্ঘ ৮ মাস পর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর আশুলিয়ায় ৬ মাসের শিশু মারিয়া বেগমকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটানায় অভিযুক্ত ধর্ষক ও হত্যাকারী শিমুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বন্যায় পানিবন্দী বাবা ও স্বজনরা ছুটে গিয়েছেন নির্মম ঘটনার বিচারের আশায়।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এস আই সাজ্জাদুর রহমান। এর আগে শুক্রবার রাতে তাকে আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িবাজার থেকে শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। সঙ্গে তার শাশুড়ি ও নিহত শিশুটির পরিচর্যাকারী নুরজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহত শিশুর বাবা ফারুক প্রারমানিক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেফতার শিমুল (২৫) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের রসুলপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। সে আশুলিয়ার কাইচাবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো। এবং নুরজাহান জামালপুর জেলার আটাবরি এলাকার মৃত মেহের আলীর স্ত্রী। শিমুল সম্পর্কে নুরজাহান বেগমের মেয়ের জামাই। তিনিও আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িরবাজার এলাকায় ভাড়া থেকে শিশু পরিচর্যা করে জীবিকা নির্বাহ করতো।

শিশুর এমন নির্মম ঘটনার বিচার চাইলেন হতভাগা বাবা। আর এভাবে যেন কোন শিশুকে প্রাণ হারাতে না হয়, সেই দাবিও জানালেন তিনি।

পুলিশ জানায়, গত ২৩ ডিসেম্বর আশুলিয়ার বুড়িবাজার এলাকায় পরিচর্যাকারী নরুজাহানের কাছে থাকা অবস্থায় শিশু মারিয়ার রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন শিশুর শরীরে ও মলদ্বারে কিছু অস্বাভিবকতা ছিল। পরে নিহত শিশুর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষা দেয়া হয়। বেশ কয়েকটি পরীক্ষার করানোর পর নিশ্চিত হন শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সেই সূত্র ধরে শিশু পরিচর্যাকারী নুরজাহানের মেয়ের জামাই শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তথ্য গোপন ও অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য শিমুলের শাশুড়ি নরুজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।-বাংলাদেশ প্রতিদিন

সোনালী/আরআর

শর্টলিংকঃ