দুই প্রতিষ্ঠানের দ্বন্দ্বে রাস্তার কাজ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যুরো: চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা ও জেলা পরিষদের মধ্যে সদরঘাট থেকে শিবতলা মোড় পর্যন্ত রাস্তাটির মালিকানা নিয়ে শহরতলীর রাস্তাটি প্রশস্তকরণ ও সংস্কারের পথ যেন রুদ্ধ না হয়। গুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তার বেহাল দশার কারণে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

এ রাস্তা নিয়ে বারবার গণমাধ্যমে ফলোআপ করে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর রাস্তাটি সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। যদিও বা কাজ শুরু হয়েছে, ভুক্তভোগীদের আশঙ্কা মাঝপথে কাজটি থমকে না দাঁড়ায় এবং এ রাস্তার সুরাহা হওয়া জরুরী।

জানা গেছে, জেলা শহরের সব থেকে গুরত্বপূর্ণ রাস্তা হচ্ছে সদরঘাট থেকে শিবতলা মোড় পর্যন্ত সোয়া কিলোমিটার। এ রাস্তাটি ভাঙতে ভাঙতে সরু হওয়ার পাশাপাশি এখন খানাখন্দে ও গর্তে পরিণত হওয়ায় গত মাসে এ রাস্তার কাজ শুরু হয়।

এর মধ্যে জেলা পরিষদ সিএস খতিয়ান মূলে তারা বাকি জায়গা দাবি করছে। ফলে জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির প্রশস্তকরণ কাজ শুরু হলেও থমকে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন এ রাস্তার বাকি অংশ জেলা পরিষদ দাবি করায় দুই লেন বিশিষ্ট রাস্তা বর্ধিতকরণের ও সৌন্দর্য নষ্ট হতে পারে। বিধায় এটি নিরসন করা খুবই জরুরী।

এদিকে শহরের প্রাণকেন্দ্র ক্লাব সুপার মার্কেট এলাকার রাস্তার পিচ কার্পেটিং ও ইট উঠে চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়লেও টনক নড়ছেনা পৌর কর্তৃপক্ষের। বৃষ্টি হলেও হাটু পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।

কয়েকজন ভুক্তভোগি রিক্সাযাত্রী ও চালক জানান, এ রাস্তার উপর চাপটা বেশী। এ রাস্তাটি সংকীর্ণ হয়ে পড়ায় পুরোপুরি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ রাস্তায় প্রতিদিন বিভিন্ন যান চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। রাস্তার বেহাল দশায় গাড়ির গতিও শ্লথ। সর্বাগ্রে এ রাস্তাটি সংস্কারের পাশাপাশি প্রশস্ত করা প্রয়োজন।

এদিকে এলাকার ভুক্তভোগি আবু রায়হান জানান, এ রাস্তাটি চলাচলে পুরোপুরি অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পুনঃনির্মানে কাজ শুরু হয়েছে কিন্তু জেলা পরিষদ রাস্তাটির দাবি করায় কাজ শুরু হতে না হতেই বন্ধ হয়ে গেছে। এলাকার স্বার্থে জনগুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাটির সুরাহা হওয়া জরুরী।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, ১৫/২০ বছর আগে এ জায়গাটি গর্ত ছিল। পরবর্তীতে মাটি ভরাট করে জনস্বার্থে এ রাস্তাটি উপযোগী করে তোলা হয়। জেলা পরিষদ সিএস খতিয়ান মূলে তারা রাস্তার বাকী অংশের দাবি করছে। দু’পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হলে সব জটিলতা নিরসণ হবে।

জেলা পরিষদের সহকারি প্রকৌশলী মহায়দুল ইসলাম জানান, রাস্তার পাশে যে ফাঁকা জায়গা রয়েছে সিএস খতিয়ান মূলে এ জায়গাগুলো জেলা পরিষদের । রাস্তার নির্মাণ কাজ নিয়ে ব্যাঘাত সৃস্টি করা হচ্ছে না।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ