তৃতীয়বারের মতো কেন্দ্রে গেল জেলা আ.লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি


স্টাফ রিপোর্টার: তৃতীয়বারের মতো কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। গত ২ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ দারা কেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জমা দেন।

এর আগে গত ১৫ নভেম্বর তারা কেন্দ্রে প্রথম পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জমা দেন। কিন্তু তারপরই সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লা অভিযোগ তোলেন, কয়েকজন এমপির চাপে হাইব্রীডদের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রাখা হয়েছে। এরপর গত ডিসেম্বরে মেরাজ মোল্লা একাই একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জমা দেন। দুই সপ্তাহ না যেতেই আবার সভাপতি-সম্পাদক নতুন কমিটি জমা দিলেন।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর সম্মেলনে মেরাজ উদ্দিন মোল্লাকে সভাপতি ও আব্দুল ওয়াদুদ সাধারণ সম্পাদকসহ চার সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। দুই সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দিতে কেন্দ্র থেকে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু গত এক বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা সম্ভব হয়নি।

গত ১৫ নভেম্বর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মিলে ৭৪ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি কেন্দ্রে জমা দেন কিন্তু কমিটিতে প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে হাইব্রিড ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রায় ৪০টি পদ দেওয়ায় একাধিক অভিযোগ কেন্দ্রে জমা পড়ে। খোদ সভাপতি মেরাজ মোল্লাও এ অভিযোগ তোলেন। ফলে গত ৩ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী জেলা কমিটিকে অনুমোদন না দিয়ে ফেরত দেন। কমিটি বিরোধ নিষ্পত্তিতে ৫ সদস্যের একটি ট্রাইব্যুনালও করে দেন দলীয় প্রধান।

এ অবস্থায় আগের তালিকার ৩৩ জনকে হাইব্রিড ও অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে সভাপতি এককভাবে নতুন কমিটি জমা দেন। পরবর্তীতে সভাপতি-সম্পাদক আবার ২ জানুয়ারি নতুন কমিটির তালিকা দেন। এতে প্রথম তালিকার দু’একটি পদে পরিবর্তন আনা হয় বলে জানা গেছে। এ নিয়ে ফের অভিযোগ দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের ত্যাগী ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লা বলেন, নবীন-প্রবীণের সম্মিলন ঘটিয়ে পুনরায় সংশোধিত আকারে আরেকটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি কেন্দ্রে জমা দেওয়া হয়েছে। আশা করি, এবার কেউ আর অভিযোগ করতে পারবেন না। এর বেশি তিনি মন্তব্য করতে চাননি।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ