তানোরে স্কুলছাত্রীকে ঘরে আটকে বিয়ে করার চেষ্টা

  • 5
    Shares
প্রতীকী ছবি

তানোর প্রতিনিধি: তানোরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৩) জোর করে তুলে নিয়ে ঘরে আটকে রেখে বিয়ে করার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ওই ছাত্রীর পিতা বাদি হয়ে দুইজনকে আসামি করে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়ন এলাকার যশপুর গ্রামের ইনছান আলীর ছেলে দুই সন্তানের জনক আনোয়ার হোসেনের (৩৮) স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে একই এলাকার জনৈক ব্যক্তির ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী কন্যাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়।

কিন্তু ছাত্রীর পিতাসহ পরিবারের সদস্যরা বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এরই প্রেক্ষিতে গত প্রায় একমাস থেকে আনোয়ার ওই ছাত্রীর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার পাশাপাশি মোবাইল ফোনে কথা বলে আসছিল।

গত ২৬ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ওই ছাত্রী বাড়ির পার্শ্বের একটি দোকানে গেলে আনোয়ার হোসেন ও তার ভাবি হাসনা বেগম ওই ছাত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে নিয়ে ঘরে আটকে রাখে।

কিছুক্ষণ পরে বিষয়টি গ্রামবাসীর মধ্যে জানাজানি হয়ে পড়ে। এসময় ছাত্রীর পরিবারসহ গ্রামবাসী এসে আনোয়ার হোসেনের ঘরে আটকে রাখা অবস্থা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। বিষয়টি গ্রামবাসী আপসের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়।

এঘটনায় গত সোমবার দুপুরে ছাত্রীর পিতা বাদি হয়ে আনোয়ার হোসেন ও তার ভাবি হাসনা বেগমকে আসামি করে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এব্যাপারে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন বলেন, একমাস আগে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু আমিসহ কেউ তাকে জোর করে আমার বাড়িতে আনেনি।

কিভাবে কার সাথে ওই ছাত্রী আমার বাড়িতে এসেছে তা জানিনা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি বাজার থেকে সন্ধ্যায় বাড়িতে এসে ওই ছাত্রীকে আমার ঘরে দেখেই চমকে উঠেছিলাম এবং সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের লোকজনকে ডেকে নিয়ে ওই ছাত্রীকে তার পরিবারের কাছে দেয়া হয়।

এব্যাপারে তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত চলছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ