ঠাকুরগাঁওয়ে ‘শ্বাসকষ্ট’ নিয়ে হাসপাতালে এক পরিবারের ৫ জন

এফএনএস: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে একই পরিবারের ৫ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অসুস’রা হলেন, সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের ভেলাজান নদীপাড়ার এলাকার র্বহুল আমিনসহ তার পরিবারের ৪ জন। র্বহুল আমিন ঢাকার একজন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী।
ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নাদির্বল আজিজ জানান, অসুস’ ব্যক্তিদের লক্ষণগুলো নিয়ে আইইডিসিআরের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। প্রাথমিক লক্ষণ শুনে আইইডিসিআর কর্তৃপক্ষ অসুস’দের আইসিইউয়ের সাপোর্ট দরকার হতে পারে বলে পরামর্শ দেন। ঠাকুরগাঁওয়ে আইসিইউ না থাকায় গত শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় প্রশাসনের নির্দেশে নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সে তাদের রংপুর মেডিকেলে পাঠানো হয়েছ। তত্ত্বাবধায়ক আরও জানান, আইইডিসিআরের একটি টিম এ মুহূর্তে রংপুরের পীরগঞ্জে রয়েছে, তারাই ৫ রোগীর নমুনা সংগ্রহ করবেন। এ ব্যাপারে রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
চিলারং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী জানান, র্বহুল আমিন ৫ দিন আগে করোনা পরিসি’তির কারণে ঢাকা থেকে সপরিবারে তার গ্রামের বাড়িতে এসেছেন। আসার পর থেকেই তার জ্বর ও সর্দি। গত শনিবার থেকে শ্বাসকষ্ট সমস্যা শুর্ব হলে তিনি নিজেই হটলাইন নাম্বারে ফোন করেন এবং নিজের ফেসবুক আইডিতে অবস’ার কথা জানিয়ে পোস্ট করেন। ফেসবুক পোস্টে র্বহুল আমিন লেখেন, ‘আমি, আমার স্ত্রী ও সন্তানসহ পরিবারের সবারই জ্বর, সর্দি, প্রচ- বুক ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। আমিসহ আমার পরিবারের সবাই মহাবিপদে আছি। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’ পরিবারের অন্য সদস্যরা হলেন, র্বহুল আমিনের স্ত্রী মোমেনা খাতুন, ছেলে রোহান, তার ভাই ইসমাইল ও ভাইয়ের স্ত্রী আঁখি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুলৱাহ আল মামুন বলেন, ‘তাদের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ পাঠানো হবে। ফলাফল এলে জানা যাবে এটি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কিনা।’ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক কামর্বজ্জামান সেলিম ব্যাপারটি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘করোনা প্রশ্নে পূর্ণ সতর্কতার সঙ্গে আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস’্য সংস’ার নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।’

শর্টলিংকঃ