ট্রে পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে মাটির স্পর্শ ছাড়া ট্রে পদ্ধতিতে শতভাগ সুস’ চারা পরীৰামূলকভাবে উৎপাদন শুর্ব হয়েছে।
ইতিমধ্যেই এই পদ্ধতির চারাগুলো তুলতে গিয়ে শিকড় না ছেড়ার কারণে সবজি চাষিরা জমিতে লাগানোর ৪৫দিনের মধ্যে সবজি ধরা শুর্ব করে। তাড়াতাড়ি ফল আসার কারণে মাঠ পর্যায়ে চাষীরা এই পদ্ধাতির তৈরি চারা কিনে সবজি চাষ করতে গিয়ে রোগবালাই সহজে হানা দিতে না পারার কারণে এই চারাগুলোর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডিজিটাল এই সময়ে ইউটিউবের বদৌলতে উপজেলার বেতগাড়ী গ্রামের আদর্শ কৃষক মাসুদ রানা প্রায় এক বছর ধরে ট্রে পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন করে আসছে। পরীৰামূলক হলেও মাঠ পর্যায়ে বাণিজ্যিক ভাবে এই চারাগুলো ইতোমধ্যে বিক্রয়ের সাড়া জাগিয়েছে। জেলায় এই প্রথম ট্রে পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন শুর্ব হওয়ায় দিন দিন চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় মাসুদ রানা ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার বেতগাড়ী গ্রামের মৃত-গফুর উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে মাসুদুর রহমান তুফান গত প্রায় ১০ বছর ধরে নিজের পৈত্রিক জমিসহ প্রায় ২০ বিঘা মাটি লিজ নিয়ে বহুমূখী শাকসবজি ও ফলদ বৃৰের চাষ করে আসছেন। বর্তমানে ১৩ বিঘা জমিতে মরিচ পোটল বেগুন পেঁপে খিরা ড্রাগন করলা পেয়ারা দুবাই নারিকেলসহ বেশ কিছু জমিতে উচ্চ ফলনশীল রকমারি ফসলের চাষ করছে। ধান চাষে লাগাতার লোকসানের কারণে মাসুদ রানা জমির শ্রেণি ভেদে নানান জাতের শাক-সবজি ও ফলদ বৃৰের চাষ করছে। সারা বছরই তার জমি থেকে ফসল উৎপাদন ও বিক্রয় চলে। এ ব্যবসায় সে লাভবান হওয়ার কারণে স’ানীয় শিৰিত বেকারেরাও তার দেখা দেখি উদ্বদ্ধ হয়ে সবজি চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।
রাণীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম জানান, মাসুদুর রহমান একজন ভালো চাষী। তার বাগানগুলোতে নানান জাতের শাক সবজি ও ফলজ গাছ রয়েছে। সে দীর্ঘ দিন ধরে সবজি চাষের সাথে জড়িত। সম্প্রতি মাটির স্পর্শ ছাড়াই ট্রে পদ্ধাতিতে চারা উৎপাদন করে এলাকায় সাড়া জাগিয়েছে। আমাদের পৰ থেকে তাকে সার্বৰণিক কারিগরি পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। তবে তার এই পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন চাষীদের জন্য খুবই ভালো। এই চারার মাধ্যমে চাষীরা রোগবালাই ছাড়া সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছে।

শর্টলিংকঃ