টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন আজ

  • 2
    Shares


করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি বুধবার উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী। টিকা নিতে আগ্রহীদের অনলাইনে মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এছাড়া কাউকে টিকা দেয়া হবে না। গতকাল মঙ্গলবার থেকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিবন্ধনের জন্য কাজ শুরু হয়েছে। প্রথমে শুধু তালিকাভুক্ত সম্মুখসারির ব্যক্তিবর্গই নিবন্ধন করবেন। পর্যায়ক্রমে অন্যরাও নিবন্ধন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র।

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে সারাদেশে করোনার গণটিকাদান শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এজন্য রাজশাহীতেও ৪টি টিকাদান কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমে শুধু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল কেন্দ্র চালু হবে।

প্রথম ধাপে রাজশাহী বিভাগে ৭ লাখ ২০ হাজার মানুষ টিকা পাবেন। উপহারের টিকা পাওয়া না গেলেও সরকারের কেনা টিকা থেকে রাজশাহী বিভাগের জন্য মোট ৬০ কার্টুন টিকা আসছে। এর মধ্যে রাজশাহী জেলার বরাদ্দ ১৫ কার্টুন। বিভাগীয় শহর হিসেবে পাওয়া যাবে অতিরিক্ত আরও ৪ কার্টুন। প্রতি কার্টুনে ১ হাজার ২শ ভায়াল টিকা থাকবে, যার ১টি থেকে ১০ জনকে টিকা দেয়া সম্ভব বলে জানা গেছে। সেই হিসাবে রাজশাহী জেলার ১৯ কার্টুনে ২ লাখ ২৮ হাজার জনকে টিকা দেয়া যাবে।

এই টিকা নিয়ে অপপ্রচার, বিভ্রান্তি ছড়ানো হলেও মানুষ যে টিকা নেয়ার পক্ষেই এতে সন্দেহ নেই। কারণ বিশ্বজুড়েই চলছে টিচকাদান কর্মসূচি। আমেরিকার নুতন প্রেসিডেন্ট ১০০ দিনে ১০ কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছেন। আমাদের দেশেও একইভাবে টিকা দেয়ার পরিকল্পনা এগিয়ে চলেছে। অন্যান্য মহামারির মতো করোনা মোকাবিলায়ও গণহারে টিকা দেয়ার বিকল্প নেই।

এর মধ্যেই এদেশে ৫ লাখেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন ৮ হাজারেরও বেশি। প্রতিদিনই আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। আগের চেয়ে কমে আসলেও করোনার বিস্তার রোধ করতে মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি টিকা নেয়াও জরুরি। এটা বুঝতে স্বাভাবিক কাণ্ডজ্ঞানই যথেষ্ট।

আমরা করোনা মোকাবিলায় সরকারের টিকাদান কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি।

 

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ