চারঘাটে ব্যাপকহারে সাথী ফসলের চাষ

  • 2
    Shares

চারঘাট প্রতিনিধি: চারঘাটে ব্যপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে সাথী ফসলের চাষ। একই সাথে একাধিক ফসল রোপণে উৎপাদন খরচ কম হয় ও ফলন বেশি হয়। এতে অথনৈতিক ভাবে কৃষকরা লাভবান হওয়ার ফলে সাথী ফসল চাষ করতে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় প্রায় ১২ হাজার ৮ শত ৪৯ হেক্টর কৃষি জমি রয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৮শত ১২ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আমের গাছ রয়েছে।

পদ্মা-বড়াল বিধৌত উপজেলার মাটি খুবই ঊর্বর ও লাভজনক হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা আম ও আখচাষ করে। আর এই সকল আম ও আখ এর জমিতে সাথী ফসলের চাষাবাদের জন্য উদ্বুদ্ধ করছে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ১৯টি গ্রামে প্রায় ৪ হাজার ৩৫ হেক্টর জমিতে সাথী ফসলের চাষ হচ্ছে। সাথী ফসল হিসেবে উপজেলায় চাষ হচ্ছে আখের সাথে রসুন, পেঁয়াজ, মসুর, আলু, গাজর, আম বাগানে হলুদ, মরিচ, আখ, কলা, মাল্টা, গমের সাথে পেঁয়াজ ইত্যাদি।

উপজেলার ঝিকরা গ্রামের সাথী ফসল চাষী রাসেল বলেন, উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজের প্রায় ৯ বিঘা জমিতে সাথী ফসলের চাষ শুরু করেন। এই রবি মৌসুমে আম খেতে আখ ও পেঁয়াজ, আখ ক্ষেতে পেঁয়াজ, রসুন ও মসুর লাগিয়েছেন। প্রণোদনা হিসেবে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর থেকে মসুর ও পেঁয়াজ বীজ পেয়েছেন।

কৃষি অধিদপ্তরের সাবির্ক তত্ত্বাবধানে সময়মত জমি তৈরি, পোকা মাকড় দমনে সার প্রয়োগ ও নিয়মিত ফসলের পরিচর্যা করছেন। একই জমিতে একাধিক ফসলের চাষাবাদ হওয়ায় অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। একই কথা বলেন একই গ্রামের সাথী ফসল চাষি আব্দুল লতিফ।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি অফিসার লুৎফুন নাহার বলেন, সাথী ফসল চাষাবাদ খুবই লাভজনক। কৃষিবিদদের পরার্মশ অনুযায়ী কৃষকরা একইসাথে একাধিক ফসল চাষাবাদ করে অর্থনৈতিকভাবে যেমন লাভবান হচ্ছে তেমনি দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সহায়তা পাচ্ছে।

 

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ