কালজয়ী নায়িকা ববিতার অভিনয় জীবনের ৫ টার্নিং পয়েন্ট

কালজয়ী নায়িকা ববিতা

অনলাইন ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি অভিনেত্রী ববিতা। পুরো নাম ফরিদা আক্তার পপি। এখন পর্যন্ত তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন গুণী এই অভিনেত্রী।

ববিতার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে— ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’, ‘ধীরে বহে মেঘনা’, ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’, ‘দহন’, ‘বাঁদী থেকে বেগম’, ‘নয়ন মনি’, ‘বসুন্ধরা’, দিপু নম্বর টু’, ‘অনন্ত প্রেম’, পিচ ঢালা পথ, ‘সোহাগ’, ‘মিস লঙ্কা’, ‘তিন কন্যা’, ‘পোকা মাকড়ের ঘর বসতি’ প্রভৃতি।

এক সাক্ষাৎকারে অভিনয় জীবনে টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে ভূমিকা রাখা পাঁচটি সিনেমা নিয়ে কথা বলেছেন ববিতা।

১. সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ‘অশনি সংকেত’ সিনেমায় অভিনয় করা আমার জীবনের প্রথম টার্নিং পয়েন্ট বলে মনে করি। এই সিনেমাটি ১৯৭৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল। সিনেমার ‘অনঙ্গ বউ’ চরিত্রে অভিনয় করে আন্তর্জাতিকভাবেও প্রশংসিত হয়েছি। এই সিনেমায় আমার বিপরীতে অভিনয় করেছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

 

২. নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘আলোর মিছিল’ আমার খুব প্রিয় সিনেমা। এই সিনেমায় অভিনয় করার পরই আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ‘আলোর মিছল’ সিনেমাটি ১৯৭৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন খলিল, রাজ্জাক, আনোয়ার হোসেন, রোজী, সুজাতা প্রমুখ।

৩. প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাই মোহসীন পরিচালিত ‘বাঁদী থেকে বেগম’ সিনেমার জন্য। সিনেমাটি ১৯৭৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল। এটা আমার অভিনয় জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।

৪. আমার অভিনয় জীবনে আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ সিনেমার জন্য অনেক প্রশংসা পেয়েছি। ১৯৭৮ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন ফারুক, আনোয়ার হোসেন, রোজী সামাদ, আনোয়ারা, রওশন জামিল, এটিএম শামসুজ্জামান। সিনেমাটি মস্কো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শিত হয়েছিল। সিনেমাটি দেখে খ্যাতিমান পরিচালক মৃণাল সেনসহ অনেকই প্রশংসা করেছিলেন।

৫. জহির রায়হানের মতো পরিচালকের সঙ্গে কাজ দিয়ে আমার অভিনয় জীবনের সূচনা হয়েছিল। তার পরিচালিত ‘সংসার’ সিনেমায় আমার প্রথম অভিনয়। জহির রায়হান পরিচালিত ‘শেষ পর্যন্ত’ সিনেমা দিয়েই নায়িকা হিসেবে প্রথম অভিষেক হয়েছিল আমার। -দ্যা ডেইলি স্টার

সোনালী সংবাদ/এইচ.এ

শর্টলিংকঃ