করোনা সংক্রমণ-মৃত্যু বাড়ছে, সতর্কতা বাড়ছে কি?

  • 1
    Share

দেশে করোনা রোগী, সংক্রমণ শনাক্তের হার ও মৃত্যু বাড়তে শুরু করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে করোনায় মৃত্যু বেড়েছে প্রায় ৪৩ শতাংশ। সংক্রমণ শনাক্তের হারও সর্বোচ্চ পর্যায়ে। এমন অবস্থাকে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রথমবারের অভিজ্ঞতা দিয়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকার কথা স্মরণ করিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে দ্বিতীয় ধাক্কা সরকারের পক্ষে সামলানো সম্ভব বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

শীতে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সরকার আগেই সতর্কবার্তা দিয়ে রেখেছে। এখন শীত আসার আগেই পরিস্থিতি অবনতির খবর সেই আশঙ্কা জোরালো করে তুলেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহারসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেছেন, অন্যথায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তার ইঙ্গিত মিলছে করোনা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি থেকে। এভাবে চলতে থাকলে মৃত্যুর সংখ্যাও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ঠেকানো কঠিন হবে বোঝাই যায়। এসব মতামত শোনার পরও মানুষের সতর্কতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ জনের মারা যাওয়া সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন বলে জানা গেছে। এর বাইরে করোনা উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা এখন আর জানা যায় না। তবে করোনা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। তাই সতর্কতাই এখন একমাত্র পন্থা।

কারণ করোনার ভ্যাকসিন পাওয়া অনিশ্চিত। তাই করোনা থেকে বাঁচতে নিজেদেরই সচেতন হতে হবে। প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সাধারণভাবে মাস্ক পরাটাই নিরাপদ থাকার প্রথম পদক্ষেপ। এছাড়া পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে জনসমাগম এড়িয়ে চলাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা দরকার। এসব বিষয়ে শিথিলতার অর্থ বিপদ ডেকে আনা।

এই বিপদ যেহেতু ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না, তাই সমষ্ঠিগত স্বার্থে বাধ্য-বাধকতা আরোপ করা জরুরি। এছাড়া সতর্কতা নিশ্চিত হবে, জোর দিয়ে বলা যায় না।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ