কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় মদ্যপ অবস্থায় এক ব্যক্তির নিকট থেকে টাকা ছিনিয়ে নেয়ায় অভিযোগ উঠেছে কথিত সাংবাদিক আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। বুধবার দিবাগত রাত এগারোটার দিকে উপজেলার প্রসাদপুর ইউনিয়নের মঞ্জিলতলা বাজারের অদূরে এ ঘটনা ঘটে। কথিত সাংবাদিক আমজাদ হোসেন প্রসাদপুর ইউনিয়নের পারএনায়েতপুর গ্রামের মনির উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, ভুক্তভোগী দুলাল হোসেন উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়নের ভেবড়া গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার রাতে তিনি বাইসাইকেলে শ্বশুরবাড়ি প্রসাদপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর মোল্লাপাড়া গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে মঞ্জিলতলা বাজারের অদূরে পৌঁছলে মদ্যপ অবস্থায় কথিত সাংবাদিক আমজাদ হোসেন ও তার সহযোগী মানিকুল তার পথরোধ করে।

এ সময় তারা দুলাল হোসেনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, লাঞ্ছিতসহ ৬ হাজার ৪০ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদকসেবন, চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন অপরাধকর্ম করছে।

ভুক্তভোগী দুলাল হোসেন জানান, বাসার কাজ শেষে সন্ধ্যার পর শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হই। পথে মঞ্জিলতলা বাজারের অদূরে পৌঁছলে আমজাদ হোসেন ও মানিকুল নামে দুই ব্যক্তি আমার পথ আটকে হেনস্থা করে। এ সময় তারা আমার নিকট থাকা ৬ হাজার ৪০ ছিনিয়ে নেয়। আমার ডাক চিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে তারা সটকে পড়ে। বিষয়টি আমি শ্বশুর পরিবারসহ স্থানীয় ইউপি সদস্য মকবুল হোসেনকে অবহিত করেছি।

প্রসাদপুর ইউনিয়নের সদস্য মকবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগী দুলাল হোসেন আমার নিকট মৌখিক অভিযোগ দায়ের করেছে। কিন্তু বিষয়টি নিষ্পত্তি করা আমার এখতিয়ার বহির্ভূত। তাই ভুক্তভোগীকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

উপজেলার প্রসাদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন খান বলেন, আমজাদ হোসেন সাংবাদিক পরিচয়ে দিনের পর দিন অপরাধকর্ম সংঘটিত করছে। তিনি নিয়মিত মাদকও সেবন করেন। গভীর রাতে পথচারীকে আটকিয়ে টাকা কেড়ে নেয়ার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ধরণের অপরাধীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি হওয়া দরকার।

মান্দা থানার পরিদর্শক তদন্ত তারেকুর রহমান সরকার বলেন, ঘটনাটি অবহিত হয়েছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ