এসআই জাহিদের পক্ষে যুক্তি উপস’াপন ১০ মার্চ

এফএনএস: থানায় নিয়ে জনি নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ঢাকার পলৱবী থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমানের পক্ষে যুক্তি উপস’াপনের জন্য ১০ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমর্বল কায়েশের আদালতে জাহিদের পক্ষে যুক্তি উপস’াপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। এসআইয়ের পক্ষে তার আইনজীবী ফার্বক আহম্মেদ সময়ের আবেদন করেন। বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ দিন ধার্য করেন। মামলার বাদী রকি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ মামলায় ২৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ নিয়েছেন আদালত।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্র্বয়ারি মিরপুর ১১ নম্বর সেক্টরে স’ানীয় সাদেক নামে এক ব্যক্তির ছেলের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান চলাকালে পুলিশের সোর্স সুমন নারীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। এ সময় জনি ও তার ভাই সুমনকে চলে যেতে বলেন। সুমন চলে গেলেও পরদিন এসে আবার আগের মতো আচরণ করতে থাকে। তখন জনি ও তার ভাই তাকে চলে যেতে বললে সুমন পু্ি‌লশকে ফোন করে তাদের ধরে নিয়ে যান। তাদের নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার লোকজন ধাওয়া দিলে পুলিশ গুলি ছোড়ে। পরে থানায় নিয়ে জনিকে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে জনির অবস’া খারাপ হলে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অবস’া আরও খারাপ হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নির্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে পলৱবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমানসহ আটজনের বির্বদ্ধে মামলা করেন নিহত জনির ছোট ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, পলৱবী থানার তৎকালীন এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদ, এসআই আবদুল বাতেন, এসআই রাশেদ, এসআই শোভন কুমার সাহা, কনস্টেবল নজর্বল, সোর্স সুমন ও রাসেল। ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্র্বয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মার্বফ হোসেন পাঁচজনকে অভিযুক্ত এবং পাঁচজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্তকালে পুলিশের এএসআই রাশেদুল ও কামর্বজ্জামান মিন্টুকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল পলৱবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান জাহিদ, এএসআই রাশেদুল, এএসআই কামর্বজ্জামান মিন্টু, সোর্স সুমন ও রাশেদের বির্বদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামর্বল হোসেন মোলৱা।

শর্টলিংকঃ