এবার কোরবানির পশু যাবে ট্রেনে

আম পরিবহনে বিশেষ ট্রেন চালু করেছিল পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে। এবার চালু হতে যাচ্ছে কোরবানি পশুর ট্রেন। এতে করে গরু খামারি ও ব্যবসায়ীদের মতই ক্রেতারাও লাভবান হবেন, সন্দেহ নেই।

প্রান্তিক খামারিদের উৎসাহ প্রদান এবং কোরবানির পশু সহজে ভোক্তাদের নিকট পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে স্বল্প খরচে পশু পরিবহনে দু’টি বিশেষ ট্রেন চালুর খবর নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। এমনিতেই এবার করোনাতে পশু কেনাবেচায় বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। খামারিরা দু’ চোখে অন্ধকার দেখতে শুরু করেছেন। এ অবস্থায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা এবং খুলনা-ঢাকা রুটে শুধুমাত্র কোরবানির পশু পরিবহনে দু’টি বিশেষ ট্রেন চালু সংশ্লিষ্ট সবার জন্য উৎসাহজনক বলাই যায়।

জানা গেছে, একটি ওয়াগনে ২০ টি গরুর প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ২০ টাকা হিসাবে একেকটি গরুর পরিবহন খরচ পড়ছে ৫৪১ টাকা। রেল কর্তৃপক্ষ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কথা জানিয়ে এখন ব্যবসায়ী ও খামারিদের চাহিদা পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। এ বিষয়ে আগ্রহীদের সংশ্লিষ্ট স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধও জানানো হয়েছে। ট্রেনটি বিকাল সাড়ে ৪ টা নাগাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রওয়ানা দিয়ে বিভিন্ন স্টেশন ধরে রাত পৌঁনে ৪টা নাগাদ ঢাকা পৌঁছাবে। খুলনার ট্রেনটিও প্রায় একই নিয়মে চলাচল করবে বলে জানা গেছে। এখন রেলওয়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ বিশেষ করে খামারি ও ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসার ওপরেই নির্ভর করছে এর সুফল প্রাপ্তি।

ঈদের কাছাকাছি সময়ে রেল কর্র্র্র্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্ত উৎসাহজনক হলেও তা কার্যকরে প্রতিটি এলাকার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের উদ্যোগ নেয়ার বিকল্প নেই। স্থানীয় খামারিরা রেল স্টেশন মাস্টারদের সহযোগিতা পেলে কোরবানির পশু বিক্রি নিয়ে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা অনেকাংশেই কমে আসবে নিশ্চিতভাবে বলা যায়। ক্রেতাসাধারণও সুলভমূল্যে ভালো পশু কেনার সুযোগ পাবে। তবে এমন উদ্যোগ কিছু আগে নেয়া হলে তা আরও ভালো ফল দিতো জোর দিয়ে বলা যায়।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ