এখনও গ্রেপ্তার হয়নি দুই সন্তানের জননীর ধর্ষক, মামলা তুলতে হুমকি

  • 2
    Shares

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি: গোদাগাড়ীতে ধর্ষণ ও আত্মহত্যা ঘটনার মূল হোতা মফিজুল এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। তার লোকজন মামলা তুলে নিতে বাদিপক্ষকে হুমকি দিচ্ছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ১০ সেপ্টেম্বর উপজেলা কাঁকনহাট পৌর এলাকার ঘিয়াপুকুর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে মফিজুল ইসলাম দুই সন্তানের মা এক গৃহবধুর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। এ সময় ওই গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশী আকবর আলী ও মেরাজুল ইসলাম মফিজুলকে ধরে কাউন্সিলর লুৎফর রহমান বিশুর কাছে নিয়ে যান।

কিন্তু কাউন্সিলর রাতেই মফিজুলকে ছেড়ে দেন। এরপর ক্ষোভে রাতেই ওই গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ঘটনার সময় ওই গৃহবধুর স্বামী চাকরির সুবাদে চট্রগ্রামে ছিল। এ ঘটনায় ওইদিন গৃহবধুর পিতা বাদী হয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা দায়ের করে।

পুলিশ অভিযান চালিয়ে পৌর কাউন্সিলরসহ তিনজনকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন-কাঁকনহাট পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লুৎফর রহমান বিশু, আকবর আলী ও মেরাজুল ইসলাম। প্রত্যেকের বাড়ি ঘিয়াপুকুর মহল্লায়। গ্রেপ্তার তিনজনকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে বুধবার রাতে কাউন্সিলর মফিজুল ইসলামকে ছেড়ে দেয়ার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।

কাঁকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আবদুল লতিফ বলেন, পুলিশকে না জানিয়ে ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়ার কারণে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। সে কারণে পৌর কাউন্সিলরসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আপাতত তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার মূলহোতা মফিজুলকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিহত গৃহবধুর স্বামী জানান, মামলা তুলে নিতে তাকে আসামী পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খাইরুল ইসলাম বলেন, হুমকি বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়নি। এই ধর্ষণ ও আত্মহত্যা মামলাটি সর্বোচ্চ গুরত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ