আড়ানী পৌর নির্বাচনে স্বস্তিতে আ.লীগ, বিএনপির অভিযোগের পাহাড়

বাঘা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘায় আড়ানী পৌর নির্বাচনে জমে উঠেছে। তবে ঠিক তার উল্টো চিত্র বিএনপি শিবিরে। আওয়ামীলীগ মেয়র প্রার্থী বলেছেন, ব্যাপক হারে জনসর্মথন হারানোয় প্রচার চালানোর মতো লোক নেই বিএনপিতে।

অপরদিকে বিএনপির অভিযোগ, প্রচারে বাধা দিচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা। রাতের অন্ধকারে ছিড়ে ফেলা হচ্ছে ধানের শীষের পোস্টার-ব্যানার। নির্বাচন প্রশ্নে আওয়ামীলীগ এবং বিএনপির এ টানাপোড়েন ছাপিয়ে যেটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে তা হল ভোটাদের ভাবনা।

নির্বাচনী পরিবেশ জমজমাট হলেও বহু ভোটাররের আশঙ্কা নিজের ভোট নিজে দিতে পারবের কিনা তা নিয়ে। ১৬ জানুয়ারি নির্বাচনে আড়ানী পৌর নির্বাচনে ভোট যুদ্ধ হবে। এর মধ্যে লড়াই হবে আড়ানী পৌর নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই হতে পারে।

তারা হলেন- বিএনপির প্রাথী তোজাম্মেল হক (ধানের শীষ),আওয়ামীলীগ প্রার্থী শহিদুজ্জামান শাহীদ (নৌকা) ও বর্তমান মেয়র মুক্তার আলী সতন্ত্র (নারিকেল গাছ) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা হবে।

আড়ানী পৌরসভার ধানের শীষ প্রার্থী তোজাম্মেল হক বলেন, গত ৭ জানুয়ারি দুপুরে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হামিদকুড়া এলাকায় আমিসহ আমার লোকজন ভোট চাইতে গেল আওয়ামীলীগ প্রার্থীসহ ৩০/৪০ জন লোক দলবল নিয়ে আমাকে সহ আমার সঙ্গীয় কর্মীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দিতে থাকে। এবং বলে যে ‘শালারা নির্বাচনী এলাকা ত্যাগ কর এবং নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামলে মারধর করে হাত পা ভেঙে দিব। আমাদের প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে এলাকা হইতে বাহির করিয়া দেয়। এবং ধানের শীষ প্রতীকের পোস্টার ছিড়িয়া ফেলে।

এব্যাপারে বিএনপির প্রার্থী তোজাম্মেল হক ৭ জানুয়ারি বাঘা থানায় আওয়ামীলীগ প্রার্থীর নামসহ আটজনের নাম উল্লেখ করাসহ ৩০/৪০ জনের নামে অভিযোগ করেন।

নিবাচনী পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে কোনো পরিবেশই নেই। আমার কর্মি-সর্মথকরা প্রচারণায় নামলেই হুমকি দেয়া হচ্ছে। রাতের আঁধারে ছিঁেড় ফেলা হচ্ছে পোস্টার-ব্যানার।

অভিযোগ সর্ম্পকে জানতে চাইলে নৌকার প্রার্থী শহিদুজ্জামান শহীদ বলেন, লোকবল-জনসর্মথন কিছুই নেই বিএনপির প্রার্থীর। সে যদি এসব অভিযোগ করেন তাহলে তো আমার আর কিছু বলার নেই। এসব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।

বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত জন্য একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ