আলু চলছে নিজস্ব গতিতেই

অনলাইন ডেস্ক: তিন সপ্তাহ ধরে অস্থির অবস্থানে রয়েছে সবজির বাজার। পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা কমলেও এর প্রভাব পড়েনি খুচরা বাজারে। ৫০ টাকার কমে পেঁপে ছাড়া কোনো সবজি মিলছে না। অন্যদিকে সরকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আলু চলছে নিজস্ব গতিতেই। সরবরাহের ঘাটতির অজুহাতে প্রতি কেজি আলুর জন্য সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়েও ১০ টাকা বেশি গুণতে হচ্ছে।

শুক্রবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউনহল বাজার, শিয়া মসজিদ বাজার, খিলগাঁও বাজার, কারওয়ান বাজার ঘুরে সবজি বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারে সবজির দাম বেশি থাকায় খুচরা বাজারে দাম কমছে না। শীতের সবজি পুরোপুরি বাজারে আসলে দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও মনে করেন তারা।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়, টমেটো ১০০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা কেজি, করোল্লা ৬০ টাকা, ঝিঙা ৫০ টাকা, লাউ ৫০ টাকা প্রতি পিস, পটল ৫০ টাকা কেজি, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা কেজি।

এছাড়া ঢেড়স ৭০-৮০ টাকা কেজি, বেগুন (লম্বা) ৬০ টাকা কেজি, চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিছ, ক্যাপসিকাম ৪০০ টাকা কেজি, কচুর মুখি ৫০ টাকা কেজি, লেবু (কলম্ব) ২০ টাকা হালি, কচু লতি ৬০ টাকা কেজি, মূলা ৬০ টাকা এবং পেঁপে ৪০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৫০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।

কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ সবজির দোকান ঘুরে দেখা যায়, এসব দোকানে করল্লা প্রতি কেজি ৭৫-৮০ টাকা, গাজর ৯০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, বেগুন (গোল) ৭০ টাকা, চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিস, ফুলকপি ৩০-৩৫ টাকা পিস, মিষ্টি কুমড়া প্রতি ফালি ২৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া কাঁচা কলা ৩৫ টাকা হালি, পেঁপে ৪০ টাকা কেজি, ঝিঙা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ধনিয়া পাতা ২৫০ টাকা কেজি, লেবু (কলম্ব) হালি ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

গত সপ্তাহে প্রতি কেজি আলুর দাম ৩৫ টাকা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। কিন্তু এ সপ্তাহেও ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আলু। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৯০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৮০ টাকা, দেশি আদা ১৪০ টাকা, চায়না আদা প্রতি কেজি ২৮০ টাকা এবং রসুন ১২০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মাংসের বাজারে দাম ওঠানামার চিত্র পাওয়া যায়নি। গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫৭০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি। ব্রয়লার মুরগি ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা এবং প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

একই অবস্থা মাছের বাজারেও। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি রুই মাছ ৩৫০ টাকা, কাতল ৪০০ টাকা, চাষ করা পাঙ্গাস মাছ ১৬০ টাকা কেজি, নদীর পাঙ্গাস ৩৫০ টাকা কেজি, চাষের কৈ ২০০ টাকা, নদীর কৈ ৪০০ টাকা, আইড় মাছ ৭০০ টাকা কেজি, চিংড়ি মাছ ৭০০ টাকা, কাচকি ৩৫০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, রূপচাঁদা মাছ ৭০০ এবং রিটা মাছ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কেজি প্রতি দুই-এক টাকা ওঠানামা করলেও আগের অবস্থাতেই আছে চালের বাজার। প্রকার ভেদে মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৫৬ টাকার মধ্যে, আটাশ চাল ৪৮ টাকা, গুটি চাল ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা, নাজিরসাইল প্রকারভেদে ৫২ থেকে ৬০ টাকা এবং আতব চাল প্রতি কেজি ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ