আকুপ্রেসার চিকিৎসক রওশন আলী খানকে সংবর্ধনা

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর আকুপ্রেসার চিকিৎসক ও প্রশিক্ষক রওশন আলী খানকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার আকুপ্রেসার বিশারদ মহিউদ্দিন সরকার স্মৃতি পরিষদ তাকে এই সংবর্ধনা দিয়েছে। আকুপ্রেসার সোসাইটির কার্যালয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আবু আহাম্মদ আল মামুন। রাজশাহী আকুপ্রেসার সোসাইটির সভাপতি দেবাশিষ প্রামানিক দেবু। বক্তব্য রাখেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. ফয়সাল আহম্মেদ, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের অধ্যাপক ইফাত জেরিন, যুবলীগ নেতা মোসাদ্দেক হোসেন লাবলু, মহিউদ্দিন সরকার স্মৃতি পরিষদের সভাপতি আলতাফ হোসেন, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের জেলার সদস্য সচিব আবু সালে মো. ফাত্তাহ ও রুপালী ব্যাংক কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন।
রওশন আলী খান আকুপ্রেসার চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণে বিশেষ অবদান রাখায় মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড, মহাত্মা গান্ধী অ্যাওয়ার্ড ও কবি জীবনান্দ দাস পদক পাওয়ায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা জানানো হলো।

“প্রজন্ম সমতায় এগিয়ে চলি, নারীর অধিকার অর্জন করি।”- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখা আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২০ পালন করে। এই উপলক্ষে সকাল ১০.৩০ মিনিটে আলুপট্টি মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার মিলনায়তনে (নতুন ও পুরাতন) সদস্যদের নিয়ে আন্ত:সংলাপ এর আয়োজন করা হয়।
এই সভায় সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য, নবগঙ্গা গ্রাম কমিটির আহŸায়ক ও পবা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া হাসান। এই সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অঞ্জনা সরকার। তিনি বলেন, শুধুমাত্র নারী হিসেবে নয় একজন মানুষ হিসেবে পরিপূর্ণ অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে সুদীর্ঘকাল ধরে নারীরা যে আন্দোলন চালিয়ে আসছে তার প্রতি সম্মান প্রদানের লক্ষ্যে প্রতি বছর ৮ মার্চ বিশ্বব্যাপি পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সংসারে অর্থবিহীন কর্মকান্ডে পুরুষের অংশগ্রহন বৃদ্ধি করতে হবে। অর্থাৎ ঘরে বাইরে সকল কর্ম ক্ষেত্রে নারী -পুরুষের সমতা অর্জন এবং কাজের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করণের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। শিক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেন নারীরা অন্যের বোঝা না হয়।
অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা করেন, সহ- সাধারণ সম্পাদক নিলুফার আহমেদ, লিগ্যাল এইড সম্পাদক শিখা রায়, প্রশিক্ষণ গবেষণা ও পাঠাগার সম্পাদক সেলিনা বানু, ভারপ্রাপ্ত আন্দোলন সম্পাদক অনুসূয়া সরকার প্রমূখ। কর্মসূচিটি পরিচালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক আলিমা খাতুন। বক্তারা নারীদের ক্ষমতায়ন করতে হলে * স্কুলে ক্যারাট/মার্সাল আর্ট শেখার দরকার, স্কুল কলেজে ছেলেদের সচেতন করতে হবে, পরিবার থেকে মেয়ের পথচলা সময় বিভিন্ন যৌন হয়রানিমূলক (ঈঙ্গিত)আচরণগুলো সম্পর্কে ছেলে মেয়ে উভয়কে সচেতন করা ও এই বিষয়ে আইন সম্পর্কে জানানো, পরিবার থেকে ছেলে ও মেয়ে উভয়কে সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

শর্টলিংকঃ