অবশেষে রেড জোনে গ্রিন সিটি

  • 99
    Shares

করোনা সংক্রমণে পিছিয়ে থাকতে পারলো না রাজশাহী। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর পর বেশ কিছুদিন রাজশাহী করোনা মুক্তই ছিল। ১২ এপ্রিল প্রথম করোনা শনাক্তের পর থেকে ধীরে ধীরে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। এখন রাজশাহী জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩২৬ ছাড়িয়ে গেছে।

এর মধ্যে মহানগরীতেই দুশ’র ওপরে। রাজশাহীতে তিন দিনেই করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গে মারা গেছেন ১৪ জন। রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় ঘণ্টায় একইভাবে মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। তবে করোনা শনাক্তের হিসাবেই রাজশাহী রেড জোনে পড়েছে।

শর্ত অনুযায়ী ঢাকার বাইরে প্রতি লাখ জনসংখ্যায় ১০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হলে সে এলাকা রেড জোনে পড়বে। সেই হিসাবে রাজশাহী মহানগরসহ পবা, মোহনপুর, তানোর, চারঘাট ও বাঘা উপজেলাও রেড জোনে পড়েছে। অন্য উপজেলাগুলো রেড, ইয়োলো ও গ্রিন জোনের মধ্যে ওঠানামা করছে। তবে রেড জোন হলেও লকডাউন হচ্ছে না রাজশাহী। কারণ লকডাউনের শর্ত আলাদা।

করোনা রোগীর অবস্থান বিবেচনা করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। রাজশাহীর বেশিরভাগ আক্রান্তই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যারা বাসাবাড়িতে আছেন তাদের অবস্থান অনুযায়ী সেই বাসা লকডাউনে আছে। রোগীর সংখ্যা অনুযায়ী সেই এলাকা লকডাউন হতে পারে। সমগ্র এলাকা বা মহানগরী লকডাউন হবার সম্ভাবনা কম।

তবে সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তাতে পরিস্থিতি এখানেই থেমে থাকবে কেউ বলতে পারে না। সংক্রমণ বাড়তেই থাকলে কী হবে বিবেচনায় রেখে এখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়া দরকার। প্রথমেই নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা বাড়ানো নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার কথা বলাটা বাহুল্যই। পরীক্ষার অভাবে যদি শনাক্ত ঠিকমতো না হয় এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকে তবে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে কেউ বলতে পারে না। গ্রিন সিটির রেড জোনে পড়াটা হুঁশিয়ারি হিসেবে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণই কাম্য।

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ