অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা চায় না শিক্ষার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা। গত শনিবার উপাচার্যদের সংগঠন ‘বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের’ ভার্চুয়াল এক সভায় এ প্রস্তাব আসলে তাতে উপাচার্যরা সম্মত হন।

কিন্তু অনলাইনের ভর্তি পরীক্ষায় বসতে চায় না অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা হলে দুর্নীতি ঠেকানো সম্ভব হবে না।

তৈয়েবুর রহমান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘প্রতিবছর ভার্সিটিতে যারা পড়ার সুযোগ পায় তাদের ৬০ ভাগ গ্রামের শিক্ষার্থী। তারাতো অনলাইনে পরীক্ষা সম্পর্কে অবগত নয়, তাদের বিষয়ে কি পদক্ষেপ নেয়া হবে? তারা কি এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে না?

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হবে। এজন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি গ্রুপও তৈরি করা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘অধিকাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন ভর্তি পদ্ধতিকে সুনজরে দেখছে না। এতে ভাল ছাত্রদের পিছিয়ে পড়ার ও খারাপ ছাত্রদের এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

এদিকে গত মঙ্গলবার ২০২০-২১ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা সশরীরে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়াও লিখিত পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধি, এমসিকিউ ও উচ্চ মাধ্যমিকের নম্বর কমানো এবং বিভাগভিত্তিক পরীক্ষা নেয়ার মত বেশকিছু নতুন সিদ্ধান্তও নিয়েছে ঢাবি কর্তৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।’

এছাড়াও একাধিক সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও মেডিকেল কলেজগুলোতেও সশরীরে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে ইউজিসি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালক অধ্যাপক ড. কামাল হোসাইন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে এখনো কোনো ধরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।’

সোনালী/এমই

শর্টলিংকঃ