ছুটিতেও থেমে নেই বিচার দাবির আন্দোলন

০৬/০৫/২০১৬ ১:০৫ পূর্বাহ্ণ০ commentsViews: 16

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যার বিচার দাবিতে ছুটির দিনেও কর্মসূচি পালন করেছে শিৰার্থীরা। হত্যাকা-ের ১৩তম দিন বৃহস্পতিবার শবে মেরাজের ছুটির মধ্যেও প্রিয় শিৰকের ঘাতকদের চিহ্নিত করে দৃষ্টানৱমূলক শাসিৱর দাবি জানিয়েছে তারা।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ‘মুকুল প্রতিবাদ ও সংহতি মঞ্চ’ থেকে বিৰোভ মিছিল বের করে ইংরেজি বিভাগের শিৰার্থীরা। মিছিলে যোগ দেয় অন্যান্য বিভাগের শিৰার্থীরাও। মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদৰিণ করে সংহতি মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। মঞ্চে অবস’ান নিয়ে তারা শিৰক হত্যার সুষ্ঠু তদনৱ ও বিচার দাবি করেন। তারা ৰোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘১৩ দিন পার হয়ে যাচ্ছে। মামলার তদনেৱর কোনো অগ্রগতি নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুনিদের চিহ্নিত করেছে দাবি করলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারছে না। মোটিভ উদ্ধার করতে পারেনি। এটা আমাদের কাছে চরম হতাশার। তবে আমরা বিচার না নিয়ে ঘরে ফিরে যাব না।’
ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার শবে মেরাজের ছুটি ছিল। ফলে ক্যাম্পাসে আসে নি শিৰার্থীরা। শিৰক সমিতির নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে স্বাৰাতের জন্য ঢাকায় অবস’ান করছেন। আর শনিবার থেকে ২০ দিনের গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরম্ন হচ্ছে। ফলে বৃহস্পতি ও শুক্রবার ছুটি থাকায় অধিকাংশ শিৰার্থী বাড়ির পথে রওনা দিয়েছে। মতিহারের সবুজ চত্ত্বর এখন মরম্নভূমি। এর মধ্যে প্রিয় শিৰকের বিচার দাবি জানাতে ক্যাম্পাসে এসেছে বেশ কিছু শিৰার্থীরা। বিৰোভ মিছিল ও অবস’ান কর্মসূচি করে আন্দোলনের প্রাণ বাঁচিয়ে রাখছে শিৰার্থীরা।
তবে ৭ ও ৮ মে শিৰকা নেতারা ঢাকা থেকে ক্যাম্পাসে ফিরে পুনরায় আন্দোলনে নামবে। পরবর্তীতে ধারাবাহিক কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। গত ২ মে মুকুল প্রতিবাদ ও সংহতি মঞ্চ থেকে গ্রীষ্মকালীন ছুটির মধ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় আন্দোলনরত শিৰক-শিৰার্থীরা।
গত ২৩ এপ্রিল রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন শালাবাগান এলাকায় নিজ বাড়ির দেড়শো গজ দূরে খুন হন অধ্যাপক ড. রেজাউল। ওইদিন বিকেলে নিহতের ছেলে রিয়াসাত ইমতিয়াজ সৌরভ বাদী হয়ে বোয়ালিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরদিন মামলাটি মহানগর ডিবিতে হসৱানৱর করা হয়। এঘটনায় এখনও পর্যনৱ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে এক শিবির নেতাসহ তিনজনকে চারদিনের রিমা-ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এছাড়া অধ্যাপক রেজাউলের নিজ বিভাগের ছাত্র শরিফুল ইসলামকে খুঁজছে পুলিশ। তিনি হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত বলে ধারণা পুলিশের। শরিফুলের অবস’ান জানার জন্য পুলিশ তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিৰক আব্দুল হাকিম ও ছোট ভাই কলেজ পড়-য়া আরিফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে। তবে তারা পুলিশকে জানিয়েছে-দীর্ঘদিন ধরে শরিফুল পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখে না। ফলে পরিবারও তার খোঁজ জানে না। এছাড়া তদনেৱ তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।

Tags:

Leave a Reply