স্টাফ রিপোর্টার : গোদাগাড়ীতে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণের দায়ে আসামি তর্বন আলী ওরফে জিন্নাহ (৩০) কে ১৪ বছর সশ্রম কারাদ- তৎসহ ৫ হাজার টাকা জরিমানা অর্থ অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোঃ মুনসুর আলম গতকাল সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সালের ৭ ধারার অপরাধে আসামিকে এই দন্ড প্রদান করেন। আসামি জিন্নাহ গোদাগাড়ী থানাধীন মহাদেবপুর গ্রামের তাহাসেন আলীর পুত্র। মামলার সংৰিপ্ত বিবর প্েরকাশ আসামি ঘটনার ৫ মাস পূর্ব থেকে ওই কলেজ ছাত্রীকে অশৱীল কথাবার্তা বলে এবং প্রেমের প্রস্তাব দেয় এতে সাড়া না দেয়ায় ২০১২ সালের ২০ আগষ্ট বিকাল ৫ টার দিকে শুরশুনিপাড়া রোডের মিশনপাড়া মোড় থেকে অপহরন করে। এব্যাপারে ভিকটিম ছাত্রীর পিতা বাদি হয়ে ২১ আগষ্ট গোদাগাড়ী মডেল থানায় এজাহার করেন। এই মামলায় ১১ জনের সাৰি নেয় আদালত। রাষ্ট্রপৰে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি মোজাফফর হোসেন এবং আসামি পৰে ছিলেন অ্যাড. মাজেদুল আলম শিবলী।
অন্যদিকে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক নিলুফার সুলতানা গতকাল সোমবার স্ত্রীকে নির্যাতনের অপরাধে স্বামী বিধান চন্দ্র প্রাংকে ২ বছর সশ্রম কারাদন্ড, ২ হাজার টাকা জরিমানা অর্থ অনাদায়ে আরো ২ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন। এই মামলার অপর আসামিদের বির্বদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেয়া হয়েছে। আসামি বাগমারা থানার চান্দের আড়া গ্রামের বিকাশ চন্দ্র প্রাং এর পুত্র।
মামলার বিবরনে জানা গেছে ১ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে আসামি স্ত্রীকে পাশবিক নির্যাতন করে। এ ঘটনায় ভিকটিম স্বামী,শ্বশুর, শাশুড়ী ও ননদকে আসামি করে আদালতে মামলা করে। রাষ্ট্রপৰে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি ইসমত আরা এবং আসামি পৰে ছিলেন অ্যাড. আসাদুজ্জামান মিঠু।