এফএনএস: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষ শান্তিতে থাকলে বিএনপি অশান্তিতে থাকে। যুক্তফ্রন্টের নামে দুর্নীতিবাজরা এক হয়েছে। গত শনিবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার লক্ষ্যে নাগরিক সমাবেশ হয়। সেখানে বিএনপি, বিকল্পধারা, জেএসডি, নাগরিক ঐক্যসহ কয়েকটি দল অংশ নেয়। সরকারবিরোধী এই ঐক্য নিয়ে সামপ্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা রয়েছে। এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী এ কথা বললেন।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের আয়োজনে গত রোববার নিউ ইয়র্কে এক নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বড় বড় কথা তারা বলে। তারা কী পারবে উন্নয়ন করতে? তারাতো লুটে খাবে। নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে সংলাপে বসে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে সরকারকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয় যুক্তফ্রন্টের সমাবেশ। ওই সমাবেশে বদর্বদ্দোজা চৌধুরী ও কামাল হোসেনের পাশেই বসেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখর্বল ইসলাম আলমগীর, স’ায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও মওদুদ আহমেদ এবং সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টর মইনুল হোসেন। নিউ ইয়র্কের হিলটন হোটেলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অপরাধটা কী? দোষটা কী? সরকার উৎখাত করতে হবে কেন? কী কারণে? কী কাজটা করিনি দেশের জন্য? বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং তার দুই ছেলের বির্বদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগগুলো তুলে ধরে শেখ হাসিনা যুক্তফ্রন্ট ও ‘জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া’ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এরা সব এক জায়গায়। কেউ সুদখোর, কেউ ঘুষখোর, কেউ মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত, কেউ খুনী। এভাবে সব আজকে এক জায়গায়। এই সমস্ত দুর্নীতিবাজকে নিয়ে দুর্নীতির বির্বদ্ধে যারা কথা বলেন, তারা লড়াই করবেন! কামাল হোসেন লড়াই করবেন? বি চৌধুরী লড়াই করবেন? মান্না লড়াই করবে? বদর্বদ্দোজা-কামালদের সমাবেশে মইনুল হোসেনের উপসি’তির প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, তার সাথে গেছেন মইনুল হোসেন। সে আবার কাকরাইলের বাড়ির জমি দখল করে; সে জায়গা নিয়ে মামলা আছে। সাজু হোসেন ভার্সেস রাষ্ট্র। সে মামলায় সে সাজাপ্রাপ্ত। আর ‘ভুয়া’ আমমোক্তারনামা তৈরি করে এক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের ভাইয়ের নামে দখল নেওয়ার ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তারা সবগুলো এখন এক জায়গায় হয়েছে! গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক এমডি মুহাম্মদ ইউনূসেরও সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নোবেল প্রাইজ পাওয়ার পরও তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদ ছাড়েন না। কারণ, এমডির পদ ছাড়লে তো গ্রামীণ ব্যাংকের টাকা মারা যাবে না। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়ন চাইলে আওয়ামী লীগকে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের উদ্দেশ্য শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ইলেকশনের আগে আমার তো আর আসার সুযোগ হবে না। তাই আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে যাচ্ছি। শিগগিরই ঢাকা-নিউ ইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালুর আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদের সাথে যা কথা হচ্ছে, ডাইরেক্ট ঢাকা থেকে নিউ ইয়র্ক আসতে পারব। এর আগে জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গীরা ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে স’ানীয় সময় গত রোববার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে নিউ জার্সির নিউয়ার্ক লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশর রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স’ানীয় প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী নিউ ইয়র্কের গ্রান্ড হায়াত হোটেলে আসেন। এবারের সফরে তিনি এই হোটেলেই থাকবেন। দশ দিনের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গুর্বত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই সমাধানের পথে প্রতিবন্ধকতাগুলো তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরবেন। অধিবেশনের ফাঁকে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ছাড়াও একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার। জাতিসংঘে আসা বিশ্ব নেতাদের সম্মানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও তিনি যোগ দেবেন। জাতিসংঘে এবারের সফরে ৫০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ব্যবসায়ীদের ২০০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলও তার সফরসঙ্গী হয়েছে। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ১৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশন শুর্ব হয়েছে। সেখানে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে সাধারণ বিতর্ক। এই বিশ্ব সংস’ার ১৯৩টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা তাতে অংশ নেবেন। জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে ‘মেকিং দি ইউএন রিলেভেন্ট টু অল পিপল: গেৱাবাল লিডারশিপ অ্যান্ড শেয়ারড রেসপনসিবিলিটিস ফর পিসফুল, ইকুইটেবল অ্যান্ড সাসটেইনেবল সোসাইটিস’। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের পক্ষে তার বক্তব্য তুলে ধরবেন। গতবারের মত এবারও তার ভাষণে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ গুর্বত্ব পাবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী জানিয়েছেন। গত সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এবারের অধিবেশনে তিনটি বিষয় প্রাধান্য পাবে। রোহিঙ্গা সঙ্কট, বিশ্ব শান্তি ও শান্তিরক্ষা কর্মসূচি এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি), বিশেষ করে স্বাস’্য ও শিক্ষার বিষয়গুলোর প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে গুর্বত্ব পাবে। মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমন অভিযানের মুখে গত বছরের ২৫ অগাস্ট থেকে এ পর্যন্ত সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে আসা আরও প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গার ভার বাংলাদেশ বহন করে চলেছে কয়েক দশক ধরে। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে গতবছরের শেষ দিকে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি করলেও এখনও প্রত্যাবাসন শুর্ব করা যায়নি। রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধানে গতবছর সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া বক্তৃতায় পাঁচ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সঙ্কট সামাল দিতে দূরদর্শী ভূমিকার জন্য এবারের জাতিসংঘ অধিবেশন চলাকালে নিউ ইয়র্কে দুটি পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, মানবিক কারণে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে ‘নজির স’াপন করায়’ প্রেস সার্ভিস নিউজ এজেন্সি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ইন্টারন্যাশনাল এচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেবে। এর আগে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান ও বুট্রোস বুট্রোস-ঘালি এবং ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট মার্তি আহতিসারি এ পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধানে ‘দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে’ চ্যারিটেবল সংগঠন ‘গেৱাবাল হোপ কোয়ালিশন’-এর পরিচালনা পর্ষদ শেখ হাসিনাকে ‘স্পেশাল রিকগনিশন ফর আউটস্ট্যান্ডিং লিডারশিপ’ অ্যাওয়ার্ড দেবে। শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে লন্ডনে দুই দিন যাত্রাবিরতি করে নিউ ইয়র্ক পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। ১০ দিনের এই সফরে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যস্ত সময় কাটবে তার। গত রোববার স’ানীয় সময় সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্ক হিলটন মিডটাউনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেওয়া এক সংবর্ধনায় যোগ দেন শেখ হাসিনা। সফরের দ্বিতীয় দিন গতকাল সোমবার সকালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে যুক্তরাষ্ট্রের স’ায়ী মিশনের আয়োজনে ‘গেৱাবাল কল টু অ্যাকশন অন ড্রাগ প্রবলেম’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ে বৈঠকে যোগদান, পরে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনারের আয়োজনে ‘গেৱাবাল কমপ্যাক্ট অন রিফিউজিস: এ মডেল ফর গ্রেটার সলিডারিটি অ্যান্ড কোঅপারেশন’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশগ্রহণ এবং দুপুরে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক র্বটের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করে হোটেল গ্র্যান্ড হায়াতে যুক্তরাষ্ট্র চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠক ও মধ্যাহ্নভোজ অংশ নেওয়ার কথা জানা যায় প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি থেকে। গতকাল সোমবার বিকালে তিনি জাতিসংঘের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে নেলসন ম্যান্ডেলা পিস সামিটে বক্তৃতা দেওয়ার পাশাপাশি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আয়োজনে নারী শিক্ষায় বিনিয়োগ-সংক্রান্ত একটি গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথাও জানা যায়। জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূতের আয়োজনে সন্ধ্যায় মেকিং ইমপসিবল পসিবল: আনলকিং হিউম্যান পটেনশিয়াল থ্রু দি ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স ফ্যাসিলিটি ফর এডুকেশন শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা। সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে উপসি’ত বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে রাতে লোটে নিউ ইয়র্ক প্যালেস হোটেলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সংবর্ধনায় যোগ দেবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ২৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে তিনি সাইবার নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক এক সভায় যোগ দেবেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স’ায়ী মিশন এবং জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক কার্যালয় (ইউএনওডিএ) যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করছে। দুপুরে জাতিসংঘ মহাসচিবের দেওয়া ভোজসভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘অ্যাকশন ফর পিস কিপিং’ (এ ফোর পি) শীর্ষক বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। সফরের চতুর্থ দিন ২৬ সেপ্টেম্বর ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর, ইউএন হাইকমিশনার ফর রিফিজিস (ইউএনএইচসিআর) ফিলিপ্পো গ্রান্দি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতিবিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি মঘেরনিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের দ্বিপক্ষীয় সম্মেলনকক্ষে পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। প্রধানমন্ত্রী সেদিন নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। এ ছাড়া ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের নির্বাহী চেয়ারম্যান ক্লাউস সোয়াব ও এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালিজুলেইদের সঙ্গে বৈঠক হবে শেখ হাসিনার। পরদিন ২৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের স’ায়ী মিশন এবং ওআইসি সচিবালয়ের যৌথ আয়োজনে মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সমপ্রদায়ের পরিসি’তি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে যোগ দেবেন। সেদিন দুপুরে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ বিশ্ব সংস’ার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক হবে শেখ হাসিনা। পরে আন্তর্জাতিক রেডক্রসের (আইসিআরসি) প্রেসিডেন্ট পিটার মওরার এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে তার বৈঠকের সূচি রয়েছে। লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্টের আয়োজনে বিকালে ‘নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি’ শীর্ষক এক আলোচনায় অংশ নেবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। পরে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইন্টার প্রেস সার্ভিসেস (আইপিএস) আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেবেন তিনি। সেদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সদর পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। বরাবরের মত এবারও বাংলা ভাষায় তিনি বাংলাদেশের অবস’ান এই বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন। রাতে নিউ ইয়র্কের পার্ক এভিনিউয়ে গেৱাবাল হোপ কোয়ালিশন আয়োজিত বার্ষিক নৈশভোজে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। প্রতিবারের মত এবারও সাধারণ পরিষদে ভাষণের পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স’ায়ী মিশনে সংবাদ সম্মেলনে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। পরদিন শনিবার নিউ ইয়র্ক থেকে রওনা হয়ে লন্ডনে দুদিন কাটিয়ে ১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীরদেশে ফেরার কথা রয়েছে।