এফএনএস: বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ জেলেদের মধ্যে আরও ৩৯ জনের খোঁজ পাওয়া গেছে। তারা ভারতের জলসীমা ঝাউতলা থেকে গতকাল রোববার সকালে রওনা হয়েছেন বলে বরগুনা জেলা মৎস্য-জীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভা-পতি গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন। এদিকে গত বৃহস্পতিবার ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩২ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। ঝড়ের কবলে পরে তারা দিক হারিয়ে ফেলেন। এদিকে এই ঘটনায় নিখোঁজ হওয়া আরও ১৫ জেলে ভারতের দৰিণ চব্বিশ পরগোনার কাকদ্বীপের পার্থপতিম থানায় আটক আছেন। তাদেরকে জলসীমা লঙ্ঘন করে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে মামলা দিয়ে সেখানকার কেন্দ্রীয় কারাগার আলীপুরে পাঠানো হবে বলে নিশ্চিত করেছেন এসআই মিলন দাস। ভারতীয় এই পুলিশ কর্মকর্তাবলেন, ‘ভারতীয় জেলেদের মাধ্যমে এই ১৫ বাংলাদেশি জেলে-দের গত শনিবার আটক করা হয়েছে।’ এদের মধ্যে পটুয়াখালী জেলার মহিপুরের সুলতান, ছগির, শাজাহান, আবু সুফিয়ান এবং আন-ছারের পরিচয় জানাতে পেরেছেন ভারতীয় ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে ভারতের জেলের কাছে আরও ৯ জেলে আছেন বলে দাবি করেছেন বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা। তিনি বলেন, ‘তাদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। বঙ্গো-পসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ হওয়া আরও জেলেদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী।’ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের (মোংলা সদর দফতর) অপারেশন কর্মকর্তা লে. আব্দুলৱা আল মাহমুদ ও নৌবাহিনীর দিগরাজ ঘাঁটির মিডিয়া উইয়ং ফরিদ আহম্মেদ বলেন, কোস্টগার্ডের সুপতি, কচি-খালী, কটকা, দুবলা ও শরনখোলার পাঁচটি স্টেশন এবং নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ “বি এন এস কপোতৰ” সাগরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। ১৫টি ট্রলারসহ বঙ্গো-পসাগরে বৃহস্পতিবার ঝড়ের কবলে পড়ে শতাধিক জেলে নিখোঁজ হন।