সোনালী ডেস্ক: আজ ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস। জনসাধারণের মধ্যে হৃদরোগ-এর কারণ, প্রতিকার, প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ব স্বাস’্য সংস’ার সহযোগিতায় প্রতিবছর এদিন বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত হয়।
বাংলাদেশও বিশ্ব স্বাস’্য সংস’া, ইউনেস্কো ও অন্যান্য সংগঠনের সহযোগিতায় দিবসটি পালন করে ।
এক জরিপে জনা গেছে, সারা বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় দেড় কোটি মানুষ সরাসরি হৃদরোগজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করে। এর মধ্যে ৪৫% উন্নত বিশ্বে এবং উন্নয়নশীল দেশে প্রায় ২৫%। বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ, বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ, করোনারি হৃদরোগ জন্মগত ও অন্যান্য সবধরনের হৃদরোগ বিদ্যমান আছে। সর্বশেষ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের উচ্চ রক্তচাপ প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে শতকরা ১৫ থেকে ২০ জনের, বাতজুরজনিত হৃদরোগ প্রতি এক হাজারে সাতজনের, করোনারি হৃদরোগ প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে শতকরা দশজনের, জন্মগত হৃদরোগ প্রতি হাজারে নবজাতকের মধ্যে আটজনের দেখা যায়।
হৃদরোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে হৃদরোগ সংক্রান্ত অজ্ঞতা এবং অপ্রতুল চিকিৎসা সুবিধার কারণে অনেক হৃদরোগী উপযুক্ত চিকিৎসা পায় না এবং বরণ করে মৃত্যু। হৃদরোগীরা হয় পরিবার, সমাজ এবং সারা দেশের স্বাস’্য ব্যবস’ার জন্য বোঝাস্বরূপ।
হৃদরোগের এই ভয়াবহতা বিবেচনা করেই ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন বিশ্ব হার্ট দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে না পারলে আগামী ২০২০ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশসমূহে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা মহামারী আকারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা রয়েছে।