স্টাফ রিপোর্টার: মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে একজন মাদক ব্যবসায়ী নিহত এবং ৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি কাঁটাখালি থানার ডাশমারী এলাকার মৃত মুক্তার হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন ওরফে আলো (৪৫)। গতকাল রোববার ময়না তদন্ত শেষে লাশটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, এসআই আমিনুর রহমান, এএসআই তসলিম উদ্দিন, কন্সটেবল কাইয়ূম ও কন্সটেবল ছানাউলৱাহ। শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে নগরীর তালাইমারী জাহাজ ঘাটে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে মাদক ব্যবসায়ীদের বির্বদ্ধে থানায় তিনটি মামলা হয়েছে।
মহানগর পুলিশ কমিশনারের মুখপাত্র ও আরএমপি’র সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর) ইফতে খায়ের আলম বলেন, শনিবার রাত ২টার দিকে নগরীর জাহাজ ঘাটে মাদকদ্রব্য বেচাকেনার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহানগর ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা টের পেয়ে পুলিশকে লৰ্য করে গুলি ছুঁড়ে। পুলিশ আত্মরৰার্থে পাল্টা গুলি চালায়। উভয়ের মধ্যে গোলাগুলির এক পর্যায়ে ৪ পুলিশ সদস্য আহত হন এবং মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। তবে আলমগীর হোসেন ওরফে আলো গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সেখানে পড়ে ছিল। পুলিশ তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে জর্বরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি সাটার গান, ১৯৮ বোতল ফেন্সিডিল, দুটি হাঁসুয়া ও দুটি মোবাইল জব্দ করে।
এসি ইফতে খায়ের আলম আরো বলেন, গতকাল ময়না তদন্ত শেষে আলমগীর হোসেন ওরফে আলোর লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ব্যাপারে পলাতক মাদক ব্যবসায়ীদের বির্বদ্ধে থানায় একটি অস্ত্র মামলা, মাদক মামলা ও পুলিশ ওপরে হামলা এই তিনটি মামলা করা হবে।
উলেৱখ্য, ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশের ৫ সদস্যর একটি টিম কাঁটাখালি থানার হরিয়ান মধ্যচর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। সেখানে একটি বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে তারা। এরমধ্যে একজন নারী মাদক ব্যবসায়ী ছিল। এ সময় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন মাদক ব্যবসায়ী সংঘবদ্ধ হয়ে এএসআই মাহাবুব ও কনস্টেবল সুজনকে লাঠিপেটা করে মাথাসহ সারা শরীর গুর্বতর ফোলা জখম করে।