সড়কে আহতদের জরম্নরি চিকিৎসায় অনিশ্চয়তার অবসান হবে কি?

11/08/2018 1:04 am0 commentsViews: 3

সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় সংশিস্নষ্ট পরিবারকে কি দুঃসহ অবস’ায় সম্মুখিন হতে হয় তা বলার অপেৰা রাখে না। সবাই সাধারণত নিহতদের নিয়েই ব্যসৱ থাকে। আহতদের বিষয়টি যথাযথ গুরম্নত্ব পেতে দেখা যায় না। সাম্প্রতিক নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সূত্রপাত যে ঘটনায় সেখানেও দু্‌ই শিৰার্থীর করম্নণ মৃত্যুই সবাইকে নাড়া দিয়েছে। আহতদের কথা তেমন একটি জানা যায়নি। গুরম্নতর আহতদের কয়েকজনকে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকতে হবে, সন্দেহ নেই। সড়ক দুর্ঘটনায় এ ধরনের আহতদের জরম্নরি চিকিৎসা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপৰও গরিমসি করে, এ অভিযোগ নতুন নয়।
হাসপাতাল থেকে পুলিশ কেসের অজুহাতে চিকিৎসা না দিয়ে থানায় পাঠানো হয় আহতদের স্বজনদের। ফলে অনেক ৰেত্রেই গুরম্নতর পরিণতির মুখে পড়তে হয়, কখনওবা মৃতু কেও মেনে নিতে হয় অসহায়ভাবে। সম্প্রতি হাইকোর্টের এক আদেশে সড়কে আহত যে কোনো ব্যক্তিকে জরম্নরি চিকিৎসাসেবা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপৰ বাধ্য বলা হয়েছে। এতে করে দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের তাৎৰণিক চিকিৎসার বাধা দূর হবার আশা করাই যায়।
সড়কে আহত ব্যক্তিদের জরম্নরি চিকিৎসাসেবা দিতে বিভিন্ন হাসপাতালের অস্বীকৃতির প্রেৰিতে হাইকোর্টে করা রিটের শুনানি শেষে দু’বছর আগেই আহত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে দেশের সব হাসপাতালকে নির্দেশ দিয়ে রম্নল জারি করা হয়েছিল। এ ছাড়া এ বিষয়ে গৃহীত ব্যবস’া সম্বলিত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেবার আদেশও দেয়া হয়।
এর পরিপ্রেৰিতে স্বাস’্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রণীত নীতিমালা হাতে পেয়ে হাইকোর্ট কিছু সংশোধনীসহ তা গেজেট আকারে প্রকাশের নির্দেশ দেয়ায় এখন থেকে আহত ব্যক্তিদের জরম্নরি চিকিৎসা পাওয়া অনেকাংশেই নিশ্চিত হয়েছে বলা যায়।
দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসায় হাসপাতাল কর্তৃপৰের গরিমসি যে কতটা অমানবিক সেটা বলার অপেৰা রাখে না। এটা চিকিৎসা সেবার মহান ব্রতকেও কালিমালিপ্ত করে। সময়মতো সুচিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুর সংখ্যাই বাড়ে না, চিরজীবনের জন্য পঙ্গুত্বের শিকারও হতে হয় অনেককে। তাই হাইকোর্টের আদেশ যথাযথভাবে পালনে সংশিস্নষ্ট সবাইকে আনৱরিক হতে হবে। বিষয়টি নজরদারিতে রাখাও জরম্নরি। তাহলেই সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের জরম্নরি চিকিৎসায় অনিশ্চয়তার অবসান আশা করা যায়।

Leave a Reply