সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ সিটি নির্বাচনই সবার কাম্য

23/07/2018 1:04 am0 commentsViews: 11

রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বাকী ৭ দিন। জমে উঠেছে নির্বাচনি প্রচারণা। মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা রাস্তা, পাড়া-মহলৱা চষে বেড়াচ্ছেন ভোট প্রার্থনা করে। সাথে দোয়াও চাচ্ছেন মানুষের। তবে উন্নয়নের প্রতিশ্র্বতিই সব কিছু ছাড়িয়ে গেছে।
প্রার্থীদের উন্নয়নের প্রতিশ্র্বতি স্বাভাবিকভাবেই মানুষকে আকৃষ্ট করেছে। সবাই উন্নয়ন চায়। অনেক মহলৱাতেই সমস্যায় জর্জরিত অবস্থা। ভাঙা রাস্তা, ড্রেনেজ অব্যবস্থায় সৃষ্ট জলাবদ্ধতা, ময়লা-আবর্জনা, মশা, বিদ্যুৎ সমস্যার মতো দুর্ভোগের শেষ নেই। আছে কর্মহীনতাও। ফলে ভোট প্রত্যাশীরা মনের মতো প্রতিশ্র্বতি দেবেন, এটাই স্বাভাবিক।
আর মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে অভিজ্ঞতার আলোকে। কোন প্রার্থীর পৰে দেয়া প্রতিশ্র্বতি পূরণ করা সম্ভব? এখানে মার্কা বা দলের চেয়ে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতাই বড় হয়ে উঠেছে। মেয়র প্রার্থীদের প্রতিশ্র্বতি স্থান পেয়েছে নির্বাচনি ইশতেহারে। অবশ্য একজন, সদ্য সাবেক মেয়র তার ইশতেহারই প্রকাশ করেননি। এর কারণটা পরিষ্কার নয়। সেটাও নিশ্চয়ই মাথায় থাকবে ভোটারদের।
উৎসবমুখর নির্বাচনি প্রচারণার মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ বাড়তে শুর্ব করেছে। নির্বাচন কমিশন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আমলে নিয়ে তিন সংসদ সদস্যকে সতর্ক করেছে, যারা আচরণবিধি উপেৰা করে নির্বাচনি প্রচারণায় যুক্ত ছিলেন। প্রচারের মধ্যে কোনো কোনো প্রার্থী অপপ্রচারও চালাচ্ছেন, এমন অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন বানচাল করার মতো গুরুতর অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যেই প্রচারণাস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা ও গ্রেফতারও হয়েছে। নাশকতায় জড়িত সন্দেহে স্থানীয় এক নেতাও আটক হয়েছেন তার ফোন কল প্রকাশ হয়ে পড়ায়। এসব নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ এই নগরীতে অতীতে উৎকট সন্ত্রাস-জঙ্গিপনার দেখা মিলেছিল। সুযোগ বুঝে তারাও যে তৎপর হবে না, কে বলতে পারে ?
তাই মানুষ যে কোনো মূল্যে সিটি নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশের নিশ্চয়তা চায়। যে বা যারাই এই পরিবেশ অস্থির করতে চাইবে তাদের কঠোরভাবে দমন করতে হবে। এৰেত্রে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ সিটি নির্বাচনই নগরবাসীর কাম্য। তাহলেই ভোটাররা নিরাপদে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন পারবেন পছন্দসই প্রতিনিধি নির্বাচন করতে। সে নিশ্চয়তার প্রত্যাশা সকলেরই।

Leave a Reply