রেলের নিয়োগ পরীৰায় হয়রানি-দুর্ভোগ বন্ধ হওয়া জর্বরি

22/07/2018 1:04 am0 commentsViews: 25

কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরীৰার প্রশংসা শেষ হতে না হতেই পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের নিয়োগ পরীৰার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে চরম দুর্ভোগের শিকার হন পরীৰার্থীরা। এর আগেও রেলের নিয়োগ পরীৰার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এখানকার একটি চক্র নানাভাবে নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত সেটাও সবার জানা। তারপর আবারও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার দায় সংশিৱষ্ট কর্তৃপৰের হলেও তার মূল্য দিতে হয়েছে ৬৩ হাজার পরীৰার্থীকে।
গত শুক্রবার দুপুরে পরীৰা শুর্বর আধা ঘন্টা আগে রেলভবনে পরীৰা স্থগিতের নোটিশ টানানো হয়। এর আগে অনেক পরীৰার্থী নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে সিট বসানো হয়নি দেখে রেলভবনে এসে পরীৰা স্থগিতের কথা জানতে পারেন। ডিজিটাল যুগে রেল কর্তৃপৰের এমন এনালগ ব্যবস্থা বিষ্ময়কর। দূর-দূরান্তের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা হাজার হাজার পরীৰার্থীকে এমন সিদ্ধান্ত ৰুব্ধ না করে পারেনি। এ সময় সমবেদনার পরিবর্তে তাদেরকে হুমকি ধামকি দেয়ার অভিযোগও উঠেছে।
অথচ পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে জানা যায়, প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর দুয়েকদিন আগে থেকেই জানাজানি হয়েছিল। তৎৰণাৎ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হলে পরীৰার্থীদের এমন হয়রানির মধ্যে পড়তে হতো না। এর আগেও এ ধরনের অপকর্ম করে যারা ফায়দা লুটেছে যথাসময়ে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করে, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করে সংশিৱষ্ট কর্তৃপৰ দায়িত্ব পালনে চরম গাফিলতি করেছে, এটা কি অস্বীকার করা যাবে? এখন প্রশ্নপত্র ফাঁস, বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে এমন কর্মকর্তাসহ চিহ্নিত কয়েকজন নেতার বির্বদ্ধে যখন তদন্ত চলছে ঠিক তখনই আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে কিনা সেটা ভেবে দেখার বিষয়। এমন অবস্থা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
প্রশ্নপত্র ফাঁস যে বন্ধ করা যায় না তা নয়। এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীৰাই তার প্রমাণ। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের নিয়োগ পরীৰার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পেছনে দায়িত্বশীলদের গাফিলতি না থেকে পারে না। যার ফলে সারা দেশ থেকে আসা ৬৩ হাজার পরীৰার্থীকে চরম হয়রানি ও দুর্ভোগের শিকার হতে হয়েছে। এ রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধে কার্যকর পদৰেপ গ্রহণ করা জর্বরি।

Leave a Reply