সিটি নির্বাচনেও তরম্নণদের আকর্ষণ কর্মসংস’ানেই

18/07/2018 1:02 am0 commentsViews: 14

আজকের তরম্নণরাই আগামী দিনে জাতির ভবিষ্যৎ রচনা করবে। এ জন্য তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের নিশ্চয়তা প্রয়োজন। এর অভাবেই সমাজে বেকারত্ব-বিশৃংখলা বেড়ে যায়। দেশে বেকারত্বের হার কমলেও চাহিদা মত কাজের অভাব রয়েছে। বিশেষ করে শিৰিত তরম্নণদের মধ্যে বেকারত্বের হার বেশি হওয়ার ভিন্ন কোন কারণ নেই। তাই কর্মসংস’ানই তরম্নণদের প্রধান চাহিদা।
এ অবস’ায় তরম্নণদের আকৃষ্ট করতে কর্মসংস’ানের দাবিই প্রধান এটা না বললেও চলে। রাজশাহী সিটি নির্বাচন স’ানীয় সরকার নির্বাচন হলেও বাসৱব কারণেই এখানেও কর্মসংস’ানই গুরম্নত্ব পেয়েছে প্রার্থীদের কাছে। মেয়র প্রার্থীদের কথায়ও তার প্রতিফলন দেখা যায়। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনিত ১৪ দলের মেয়র প্রার্থী তার নির্বাচনী ইশতেহারের শুরম্নতেই সুনির্দ্দিষ্টভাবে অঙ্গীকার করেছেন। গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে গার্মেন্টস শিল্প, চামড়া শিল্প, বিশেষ অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠা ও বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক দ্রম্নত বাসৱবায়ন করে লৰাধিক নতুন কর্মসংস’ান সৃষ্টির কথা বলেছেন তিনি। এ ছাড়া ঐতিহ্যবাহী রেশম কারখানা ও রাজশাহী টেক্সটাইল মিলস পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা, জুটমিল সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা, কৃষিভিত্তিক শিল্প স’াপন যথা, আম, টমেটো, আলু প্রক্রিয়াজাতকরণের পাশাপাশি আত্মকর্মসংস’ান সৃষ্টির লৰ্যে কুটির শিল্প (এসএমই ফাউন্ডেশনের সহায়তায়) উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত ও সহায়তা করার কথাও বলেছেন তার নির্বাচনী ইশতেহারে।
এ ছাড়া বিদেশে চাকরি পেতে আগ্রহীদের জন্য জনশক্তি রপ্তানিমুখী বিশেষ কারিগরি প্রশিৰণ কেন্দ্র স’াপন করা, বিভিন্ন বিদেশি ভাষা শিৰার জন্য সার্টিফিকেট কোর্স চালু করার অঙ্গীকার করে ১৪ দল সমর্থিত এই সাবেক মেয়র তরম্নণদের দৃষ্টি কেড়েছেন। পদ্মাপাড়ে প্রতিষ্ঠিত ফ্রি ওয়াইফাই জোন পুনরায় চালু করা এবং ক্রমান্বয়ে মহানগরীর নাগরিক কেন্দ্রগুলোকে ফ্রি ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের আওতায় এনে তরম্নণদের ডিজিটাল যোগাযোগের চাহিদা পূরণের প্রতিশ্রম্নতিও দিয়েছেন এই জনপ্রিয় মেয়র প্রার্থী।
এক কথায় বলা যায়, তিনি কর্মসংস’ানসহ তরম্নণদের চাহিদাকে যথেষ্ট গুরম্নত্ব দিয়েছেন। তাই তরম্নণরাও স্বাভাবিকভাবে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে ব্যাপকভাবেই। কারণ পছন্দসই কাজের অভাব ও সুস’ বিনোদনের সুযোগ না থাকাই যে তরম্নণদের ব্যাপকভাবে মাদকসহ নানা ধরনের অসামাজিক কাজে ঠেলে দেয় সেটা না বললেও চলে।
এ অবস’ায় সিটি মেয়রের পৰে কর্মসংস’ান সৃষ্টির যতটুকু সুযোগ আছে সেটা আনৱরিকভাবে কাজে লাগলে এই নগরীর তরম্নণদের ন্যূনতম চাহিদা পূরণ যে অনেকাংশেই সম্ভব, সেটা অবিশ্বাস করার কারণ নেই। যদিও এৰেত্রে অতীতের অভিজ্ঞতা তরম্নণদের কাজে হতাশাজনকই। তাই এবারে তাদের আকৃষ্ট করতে পারাটা কম কথা নয়।

Leave a Reply