নওগাঁ ও পাবনায় ২ জন খুন

11/07/2018 1:05 am0 commentsViews: 11

সোনালী ডেস্ক: নওগাঁর ধামইরহাটে প্রতিপৰের ছুরিকাঘাতে ১ ব্যক্তি ও পাবনার আতাইকুলৱায় ১ চরমপন্থী সদস্য খুন হয়েছেন। ধামইরহাটে খুনের ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে।
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি জানান, ধামইরহাটে দিনের বেলায় খুনের চেষ্টায় ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় ঘাতকসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ছুরিকাহত ওই যুবক রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে মারা যান। ঘটনাটি ঘটেছে ধামইরহাট উপজেলার আড়ানগর ইউনিয়নে আড়াগর উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে। পুলিশ ও প্রত্যৰদর্শি সূত্রমতে, সোমবার বিকেল ৫ টার দিকে আড়ানগর উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় আড়ানগর গ্রামের হামিদুল ইসলামের ছেলে রাজা (২৪) প্রতিবেশি ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে মশিউর রহমান বাবুকে (৫০) পেছন থেকে ডেকে জমি নিয়ে বাকবিত-ায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে রাজা বাবুকে তার বুকে ও দুই পাঁজরে ছুরিকাঘাত করে। উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপেৱঙে ও পরে রাজশাহী মেডিকেলে নেয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ৮ টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে ঘটনা্‌স্থল থেকে পালাবার চেষ্টাকালে স্থানীয়রা রাজাকে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করে। থানায় থাকা পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকদের সামনে রাজা ছুরিকাঘাত করার বিষয়টি স্বীকার করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। ধামইরহাট থানার ওসি জাকিরুল ইসলাম জানান, ঘটনার সাথে জড়িত ৩ জনকে তাৎৰণিকভাবে আটক করেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ হাতে পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি জানান, পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানায় এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবারো চরমপন্থী দলের সদস্য খুন হয়েছেন। তিনি উপজেলার মৃত জানে আলম অরফে তোফার ছেলে। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বিল থেকে মমিনের লাশ উদ্ধার করেছে আতাইকুলা থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে মমিন (২৬) তার চাচাতো ভাইকে নিয়ে মাছিয়াঘাটা বিলে নিজ জমি দেখতে যান। এ সময় প্রতিপৰরা তাদের আটক করে। মমিনের চাচাতো ভাই কৌশালে বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের ঘটনা জানান। এ সংবাদ পরিবারের সদস্যরা আতাইকুলা থানাকে মঙ্গলবার সকালে জানালে পুলিশ অনেক খোঁজাখুঁজির পর ওই দিন ৩টার পরে ছোট মঙ্গল গ্রামের মাছিয়াঘাটা বিল থেকে হাত পিঠমোড়া করে বাঁধা ও গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় মমিনের লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, মমিন চরমপন্থী দলের সদস্য। সে দীর্ঘ দিন ঢাকায় পালিয়ে ছিল। মমিনে বাবা জানে আলম ছিলেন চরমপন্থী দলের আঞ্চলিক নেতা। তিনি পুলিশের ক্রসফায়ারে মারা যান। পুলিশের ধারণা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে প্রতিপৰরা মমিনকে হত্যা করেছে। আতাইকুলা থানার ওসি আব্দুল মাসুদ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে বিল থেকে মমিনের লাশ উদ্ধার করি। লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাবনা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply