বরেন্দ্র অঞ্চলে আবারো রাসেল ভাইপার

10/07/2018 1:05 am0 commentsViews: 46

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি: বরেন্দ্র অঞ্চলের বিলুপ্তপ্রায় ভয়ঙকর এই সাপটি আবার দেখা মিলেছে সোমবার রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ললিত নগরের মাকরান্দা গ্রামে। ‘রাসেল ভাইপার’-ভাইপার গোত্রের বিষধর সাপদের মধ্যে অন্যতম।
সাপটির বিষয়ে লতিতনগরের মাকরান্দা গ্রামের আমান ফিড ফ্যাক্টরির ইলেকট্রিক ফোরম্যান ইকবাল হোসেন জানান, সোমবার দুপুরে মুরগিশেডের পাশের ড্রেনে সাপটি তার নজরে আসে। তাৎৰণিকভাবে তিনি কয়েকজনের সহায়তায় সাপটি ধরে ফেলেন। বর্তমানে সাপটি একটি পৱাস্টিকের ড্রামে রাখা হয়েছে । এ বিষয়ে ইকবাল হোসেন জানান, সাপটি নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করতে সংশিৱষ্ট কর্তৃপৰকে আহবান জানান।
গত বছর নভেম্বরে এই সাপ দেখা গিয়েছিল। রাজশাহীর তানোর উপজেলার মু-ুমালা পৌর এলাকার চোরখোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার ঘেওরগ্রামে ২০১৩ সালে বরেন্দ্র অঞ্চলে রাসেল ভাইপার প্রথম দেখা যায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার বরেন্দ্রা গ্রামে এই সাপ প্রথম কামড় দেয় আনোয়ার নামে দশম শ্রেণির একজন ছাত্রকে। এ যাবৎ এই সাপের কারণে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা সংস্থা বারসিকের কর্মসূচি কর্মকর্তা জাহিদ আলী জানান, ২০১৩ সালে বরেন্দ্রা গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে আনোয়ারকে (১৬) প্রথম এই সাপ কামড় দেয়। ১০ দিন রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসার পর সে মারা যায়। এর পরবর্তী তানোর উপজেলার মু-ুমালা ও গোদাগাড়ী উপজেলার নিমতলা গ্রামে এই সাপের কামড়ে ৪ জন মারা যায়। তিনি আরও জানান, ২০১৫ সালে রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডমালা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ও ২০১৬ সালে গোদাগাড়ী উপজেলায় কুমুরপুর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দুইটি জনসংলাপ করেছি।
এই সাপের কামড়ে রোগীর কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। বর্তমানে এই সাপের চিকিৎসা রাজশাহী মেডিকেলে হয়। সর্বশেষ গোদাগাড়ীর বিয়ানাবোনা গ্রামের একজন স্কুলশিৰক ও নিমতলী গ্রামে একজন ছাত্র এই সাপড়ের কামড়ের পর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হ েউঠেছেন।

Leave a Reply