টাইব্রেকারে রাশিয়াকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়া

09/07/2018 1:06 am0 commentsViews: 6

স্পোর্টস ডেস্ক: ১২০ মিনিটের খেলা। পেন্ডুলামের মতো একবার এদিকে, আরেকবার ওদিকে দুলছিল পুরো ম্যাচ। কেউ কাউরে ছাড়ার পাত্র নয়। প্রথমে গোল করেছিল রাশিয়া, এরপর ক্রোয়েশিয়া। খেলা গড়াল অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে গোল করে এগিয়ে গেলো ক্রোয়েশিয়া। এরপর আবারও গোল করলো রাশিয়া।
১২০ মিনিট শেষে ২-২ সমতা। খেলা গড়ালো টাইব্রেকারে। ভাগ্যের এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে স্বাগতিক রাশিয়াকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলো ক্রোয়েশিয়া। যে ফার্নান্দেস গোল করে রাশিয়াকে সমতায় ফিরিয়েছিলেন, সেই ফার্নান্দেসই টাইব্রেকারে গোল মিস করে ডোবালেন রাশিয়াকে।
১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম আবারও সেমিতে উঠলো ক্রোয়াটরা। টাইব্রেকারে ইভান রাকিটিচের শটের পরই জয়ের উলৱাসে মেতে ওঠে ক্রোয়েশিয়া। নির্ধারিত সময়ের শুর্বতে, ৩১ মিনিটে গোল করে রাশিয়াকে এগিয়ে দিয়েছিল ডেনিশ চেরিশেভ। ৩৯ মিনিটে গোল করে ক্রোয়েশিয়াকে সমতায় ফেরায় ক্রামারিচ। ১০০তম মিনিটে হেডে গোল করে ক্রোয়েশিয়াকে আবারও এগিয়ে দেয় ডোমাজগ ভিদা। ১১৫ মিনিটে অসাধারণ একে হেড থেকে গোল করে রাশিয়াকে সমতায় ফেরান মারিও ফার্নান্দেস।
১২০ মিনিটের খেলার মত টাইব্রেকারেও নাটকের পর নাটক। রাশিয়ার প্রথম শটটাই ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরৰক সুবাসিচ। ঝাঁপিয়ে পড়লেও হাত দিয়ে ঠেকিয়ে দেন সমোলভের শট। ক্রোয়েশিয়ার ব্রজোভিকের শট জড়িয়ে যায় রাশিয়ার জালে। ১-০। পরের শট নেন জাগোয়েভ। এই শটটি জড়িয়ে যায় জালে। ১-১। ক্রোয়েশিয়ার হয়ে শট নিতে আসেন কোভাসিচ। কিন্তু তার শট ঠেকিয়ে দেন রাশিয়ার গোলরৰক আকিনফিভ। ১-১। রাশিয়ার হয়ে পরের শট নিতে আসেন মারিও ফার্নান্দেজ। যার গোলে সমতায় ফিরেছিল রাশিয়া। কিন্তু, তিনি বলটি মেরে দেন বঙের বাইরে। ১-১। ক্রোয়েশিয়ার হয়ে শট নিতে আসেন লুকা মদ্রিচ। তার শট ঠেকিয়েছিলেনও আকিনফিভ। কিন্তু বল হাতে লেগে চলে যায় ভেতরে। ২-১। রাশিয়ার হয়ে ইগনাসেভিক স্কোর করেন। ২-২।

ক্রোয়েশিয়ার হয়ে পরের শটে গোল করেন ভিদা। ২-৩। রাশিয়ার হয়ে পরের শট নেন কুজায়েভ। এটা ছিল রাশিয়ার শেষ শট। এবারও গোল। ৩-৩। ক্রোয়েশিয়ার হয়ে শেষ শট নিতে আসেন ইভান রাকিটিচ। তার শট জড়িয়ে গেলো জালে। ৪-৩। জয়ের আনন্দে মেতে ওঠে পুরো ক্রোয়েশিয়া শিবির। নিথর-নিস্তব্ধ হয়ে যায় পুরো গ্যালারি। কান্নায় ভিজে যায় রাশিয়ান সমর্থকদের চোখ।

Leave a Reply