বিমানবন্দরের উন্নয়ন রাজশাহীর উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে

05/07/2018 1:04 am0 commentsViews: 26

যাতায়াত তথা যোগাযোগ ব্যবস’ার উন্নতির ওপর অর্থনৈতিক উন্নয়ন অনেকাংশেই নির্ভর করে। পিছিয়ে থাকা রাজশাহী অঞ্চল যোগাযোগ ব্যবস’ায়ও যে পিছিয়ে তা বলার অপেৰা রাখে না। তাই রাজশাহীর হযরত শাহমখদুম বিমানবন্দরকে আনৱর্জাতিক মানে উন্নীত করার ঘোষনাকে রাজশাহীবাসী স্বাগত জানাবে স্বাভাবিকভাবেই।
গত মঙ্গলবার বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাজশাহীতে এক সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী বিমানবন্দরকে একটি পূর্ণাঙ্গ অভ্যনৱরীণ বিমানবন্দর এবং আমদানি-রফতানিতে কার্গো বিমান চলাচলের উপযোগী করার পদৰেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি যাত্রীদের চাহিদা মোতাবেক এখান থেকে আরও বেশি বিমান চলাচলের ব্যবস’া নেয়ার কথাও জানান। এই বিমানবন্দরকে আনৱর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সরকারের সদিচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
রাজশাহী বিমানবন্দরের ধারাবাহিক উন্নয়নের কাজ বর্তমান সরকারের আমলে সবার দৃষ্টি কেড়েছে। গত অর্থবছরে এখানে ১২ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে। চলতি বছরেও ৫৫ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। এ সবই মূলত বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ। এর পাশাপাশি আনৱর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ করা যে জরম্নরি সেটা বলার অপেৰা রাখে না।
এখনই রাজশাহী বিমানবন্দরে প্রতিদিন তিনটি করে বিমান ওঠানামা করে। তারপরও টিকেট পাওয়া যায় না। তাই বিমান চলাচল বৃদ্ধির চাহিদা রয়েছে বলাটা বাহুল্য। বিমানবন্দরের উন্নয়ন হলে রাজশাহীর ব্যবসায়-বাণিজ্য, শিল্প-কৃষির উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। তাছাড়া এখন থেকে হজ্ব ফ্লাইট চালু হলে হজ্বযাত্রীদের ভোগানিৱ যেমন কমে আসবে তেমনি রাজশাহী-কলকাতা ফ্লাইট চালু হলে চিকিৎসাসহ নানা প্রয়োজনে ভারতে যাতায়াতকারীদের ভ্রমণও স্বচ্ছন্দ হবে নিঃসন্দেহে।
সরকারের সদিচ্ছা থাকলেও স’ানীয় উন্নয়নমূলক কাজের জন্য এলাকার রাজনৈতিক সামাজিক-ব্যবসায়িক নেতাদের ভূমিকার ওপর যে অনেক
কিছুই নির্ভর করছে সেটা না বললেও চলে। তাই রাজশাহীর উন্নয়ন ত্বরান্ব্বিত করতে বিমানবন্দরকে আনৱর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রচেষ্টায় সবার ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসাই একানৱ কাম্য।

Leave a Reply