উজানে ভারী বৃষ্টি : বন্যা মোকাবিলায় প্রস’তি দরকার

04/07/2018 1:04 am0 commentsViews: 5

ভাটির দেশ বাংলাদেশ। এখানকার প্রায় সব নদ-নদীর উৎস উজানের হিমালয় পাদদেশ। সেখানে এখন ভারীবর্ষণ। চীন, তিব্বত, নেপাল, ভারতের বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, অরম্ননাচল, আসাম, মেঘালয়, মনিপুর ও মিজোরামেও অতিবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। উজান অববাহিকায় অবিরাম বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে দেশের বন্যা পরিসি’তির অবনতির আশঙ্কা বাড়ছে।
এর মধ্যেই ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ, তিসৱা, গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় ভাটি অঞ্চলের নদ-নদীসহ বৃহত্তর সিলেট ও চট্টগ্রামের নদীগুলোতে বন্যার দেখা মিলেছে। উত্তরাঞ্চলেও বন্যার আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। এর মধ্যেই তিসৱা নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিসৱা ব্যারাজ দোয়ানী পয়েন্টে পানি প্রবাহের উচ্চতা উঠেছে ৫২ দশমিক ৫৮ সেন্টিমিটার। যা বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচে। তাতেই জেলার ৫টি উপজেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। প্রয়োজনীয় সংস্কার না করায় বিভিন্ন স’ানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। স্রোতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে বাঁধ ভাঙ্গা পানিতে পরিসি’তি ভয়াবহ হয়ে ওঠার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদের পানিও বাড়তে শুরম্ন করেছে। এ অবস’ায় গঙ্গা অববাহিকার নদ-নদীগুলোর পানিও বাড়বে অবধারিতভাবে। এ অবস’ায় নদী পাড়ের মানুষের মনে বন্যার আশঙ্কা জেগে ওঠা অস্বাভাবিক নয়। তাই এখনই পরিসি’তি মোকাবিলায় প্রস’তি নেয়া জরম্নরি হয়ে উঠেছে। বিষয়টি ফেলে রাখলে এর মাশুল গুনতে হবে নানাভাবে, এতে সন্দেহ নেই।
বৃহত্তর সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে এর মধ্যেই বন্যার তোড়ে নদ-নদীর বাঁধ ভেঙে শহর জনপদ, খেত-খামার তলিয়ে গেছে একাধিকবার। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে পাহাড়ী ঢলে নতুন করে পস্নাবন সৃষ্টি হলেও নিরম্নপায় বন্যা কবলিত অঞ্চলের অধিবাসীরা।
তাই রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলে সময় থাকতেই বন্যা মোকাবিলায় সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় প্রস’তি নেয়া জরম্নরি হয়ে পড়েছে।

Leave a Reply