উন্নয়নই প্রাধান্য পাবে রাসিক নির্বাচনে

22/06/2018 1:04 am0 commentsViews: 11

গাজিপুর সিটি নির্বাচন শেষ হবার আগেই রাজশাহীসহ তিন সিটি নির্বাচনের ঘণ্টা বেজে উঠেছে। ১৪ জুন থেকে শুরু হয়েছে মনোনয়নপত্র উত্তোলন। এর মধ্যেই কাউন্সিলর পদে দেড় শতাধিক প্রার্থী ফরম তুলেছেন। তবে সবার দৃষ্টি মেয়র পদের দিকে।
রাজশাহীতে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে, সেটা সবার জানা। এ বছরের শুরুতে রাজশাহীর এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী খায়র্বজ্জামান লিটনকে মেয়র নির্বাচিত করার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান। তখন থেকেই তার প্রচারণা শুরু হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর ১৪ দলের সভায় লিটনকে একক প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। সবশেষে মহানগর আওয়ামী লীগের সভা থেকেও মেয়র পদে সর্বসম্মত প্রার্থী হিসেবে লিটনের নাম ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে লিটনের পৰেই দলীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনের মাঠে এককভাবে লিটনের প্রাধান্য চোখে পড়ার মত।
তার বিপৰে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী নিয়ে দলের পৰ থেকে কারও নামই শোনা যায়নি। বুলবুলসহ কয়েকজনের নাম শোনা গেছে দলীয় নেতাকর্মীদের মুখে। অবশ্য মেয়র নির্বাচিত হবার পর বরখাস্ত, কারাবরণসহ নানা কারণে আলোচিত-সমালোচিত বুলবুলের নামই প্রাধান্য পেয়েছে। সবশেষে স’ানীয় ও কেন্দ্রীয়ভাবেও বুলবুলই দলীয় মেয়রপ্রার্থী হয়েছেন। ২০ দলীয় জোটের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। তাই আবারও রাসিক মেয়র পদে লিটন-বুলবুলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখতে হচ্ছে রাজশাহীবাসীকে।
তবে এবার দলীয় প্রতীকের নির্বাচনে রাজনীতি যেমন প্রাধান্য পাবে তেমনই দুই মেয়রের দুই আমলের তুলনামূলক বিচারও বিবেচনায় থাকবে নগরবাসীর। ২০০৮ সালে বুলবুলকে পরাজিত করে লিটন মেয়র নির্বাচিত হবার পর কীভাবে নগরীর চেহারা পাল্টে দিয়েছেন সেটা ভুলে যাওয়ার নয়। ২০১৩ সালে বুলবুলের বিজয়ের পর নগরীর কতটা উন্নতি হয়েছে সেটা রাস্তাঘাটসহ পরিবেশ-পরিসি’তির বর্তমান অবস’াই চোখে আঙগুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। তাই এবার যে কোনো মূল্যে নগরীর সার্বিক উন্নয়নের বিষয়টিই যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে এতে সন্দেহের কিছু নেই।
মেয়র পদে এবার তৃতীয়বারের মত লিটন-বুলবুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে যাচ্ছে। দু’জনার কেউই অপরিচিত নন। তাই তাদের কাজের ফলাফলই রাসিক নির্বাচনে ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করবে, এটাই প্রত্যাশিত।

Leave a Reply