সুষ্ঠু সিটি নির্বাচনের প্রত্যাশা

21/06/2018 1:04 am0 commentsViews: 11

আগামী ৩০ জুলাই রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২৬ জুন হবে গাজিপুর সিটি করপোরেশনের ভোট। সেখানে এখন প্রচারণা শেষ পর্যায়ে। আর এ বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে পারে জাতীয় নির্বাচন। ফলে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরম্ন করেছে জোরেশোরেই। জাতীয় নির্বাচন কেমন হবে সেটা সিটি নির্বাচনে অনেকাংশে বোঝা যাবে, সন্দেহ নেই। সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হবার ওপর নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্যতাও নির্ভর করছে।
দলীয়ভাবে হওয়ায় সিটি নির্বাচনও এখন পুরাপুরি রাজনৈতিক লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। তাছাড়া স’ানীয় উন্নয়নের বিষয়টিও গুরম্নত্বপূর্ণ। প্রার্থীর যোগ্যতা বিচারে এসব বিষয়ই এগিয়ে থাকছে ভোটারদের বিবেচনায়।
এর মধ্যেই রাজশাহীসহ তিন সিটির মেয়র প্রার্থীর ঢাকা থেকে দলীয় মনোনয়ন চূড়ানৱ করেছেন। এ ৰেত্রে ৰমতাসীন আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা সব দিকেই এগিয়ে আছেন বলা যায়। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে বিএনপির দ্বিধা-সংশয়-দুর্বলতা চোখে পড়ার মত।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ৩০ ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরৰিত নারী কাউন্সিলর পদে এ পর্যনৱ ১৩৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহের খবর জানা গেছে। তবে এখনও কেউই মনোনয়নপত্র জমা দেননি। আগামী ২৮ জুন পর্যনৱ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেয়া যাবে। ১ ও ২ জুলাই যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ জুলাই। ভোট হবে ৩০ জুলাই। অন্য দুই সিটিতেও একইভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সিটি নির্বাচনের গুরম্নত্ব বিবেচনা করে আশা করা যায়, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শানিৱপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হবে। গাজীপুরে ভোটের দিন ঘনিয়ে এলেও এখন পর্যনৱ তেমন কোনো হাঙ্গামার খবর পাওয়া যায়নি, এটা স্বসিৱদায়ক। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলকই হচ্ছে এখন পর্যনৱ। সুষ্ঠু ও শানিৱপূর্ণ নির্বাচনই সবার প্রত্যাশা।
তবে এ ৰেত্রে অংশগ্রহণকারী দল ও প্রার্থীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও সহনশীলতার ওপরই সব কিছু নির্ভর করছে। সিটি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হবে এ প্রত্যাশা সকলেরই। এ ৰেত্রে নির্বাচন কমিশনকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তাহলে জাতীয় নির্বাচনের পথও প্রশসৱ হবে জোর দিয়ে বলা যায়।

Leave a Reply