স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলৰে আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় আরএমপি’র সদর দপ্তরের কনফারেন্স র্বমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আরএমপি’র পুলিশ কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার বিপিএম।
পুলিশ কমিশনার তার বক্তব্যে বলেন, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আরএমপি’র পৰ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস’া থাকবে এবং ইতোমধ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। তিনি গুর্বত্বপূর্ণ পূজাম-পগুলোতে সিসি ক্যামেরা স’াপনের জন্য নেতৃবৃন্দকে আহবান জানান। পূজাম-পগুলোতে পুর্বষ ও নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশ ও নির্গমন লাইন রাখার জন্য পরামর্শ দেন। থানার অফিসার ইনচার্জগণকে পূজা কমিটির সাথে সার্বৰণিক যোগাযোগ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন এবং ট্রাফিক বিভাগকে ট্রাফিক ব্যবস’াপনা জোরদার করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। প্রতিটি পূজাম-পে স্বেচ্ছাসেবক দল রাখার ব্যাপারে বিশেষভাবে গুর্বতারোপ করেন। প্রতিটি পূজাম-প কমিটিকে সামপ্রদায়িক সমপ্রীতি কমিটি গঠনের আহবান জানান।
এ সময় উপসি’ত ছিলেন আরএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সুজায়েত ইসলাম, ডিসি (সদর) তানভীর হায়দার চৌধুরী, ডিসি (বোয়ালিয়া) আমির জাফর, ডিসি (মতিহার) সাজিদ হোসেন, ডিসি (শাহমখদুম) মোহাম্মদ হেমায়েতুল ইসলাম, ডিসি (ডিবি) আবু আহাম্মদ আল মামুন, ডিসি (পিওএম) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা। এছাড়াও পূজা উদযাপন পরিষদ রাজশাহী মহানগরী শাখার সভাপতি অলোক কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শরৎ চন্দ্র সরকার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অনিল কুমার, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ মহানগর শাখার সভাপতি ড. সুজিত কুমার সরকার, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ রাজশাহী মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ও হিন্দু সমপ্রদায়ের নেতৃত্ববৃন্দ উপসি’ত ছিলেন।
মহানগরীতে মোট ৯৭টি পূজা অনুষ্ঠিত হবে। আসন্ন দুর্গাপূজায় মহানগরীতে আইন শৃঙ্খলা পরিসি’তি স্বাভাবিক রাখতে বিস্তারিত আলোচনা হয়।