শিৰার্থীর ভবিষ্যত নিয়ে শিৰকের খেলা কাম্য নয়

17/05/2018 1:04 am0 commentsViews: 10

ছাত্রের সফলতায় শিৰকেরও মুখ উজ্জ্বল হয়। শিৰক-শিৰার্থীর সম্পর্কটাই এমন। তবে এখন সব কিছুই পাল্টেছে। পাল্টেগেছে শিৰক-শিৰার্থী সম্পর্কও। সম্প্রতি দুর্গাপুরের কালীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা এক ঘটনা থেকেও এর প্রমাণ মিলেছে।
এবারের এসএসসি পরীৰায় এই স্কুলের দুই মেধাবী ছাত্রের ফেল করার পেছনে ব্যবহারিক পরীৰায় নম্বর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। আর কেউ নয়, অভিযুক্ত স্কুলের প্রধানশিৰক, কমিটির সভাপতিসহ সংশিস্নষ্ট ৬ জন। শিৰা বোর্ড, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন পর্যায়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই স্কুলেরই সংশিস্নষ্ট বিষয়ের শিৰকদ্বয়। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের দ্বন্দ্বেই শিৰক কর্তৃক শিৰার্থী ফেল করার এই চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই বহুল প্রচার পেয়েছে।
গত বছর স’ানীয় কিছু লোকজন নিয়ে প্রধান শিৰকের গোপনে গঠিত কমিটি বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে উলেস্নখিত দুই ছাত্রও ভূমিকা পালন করে। এতে শিৰকদের রোষানলে পড়ে শিৰার্থীদ্বয় নির্যাতন ও ভয়ভীতির শিকার হয়। এর জেরেই এসএসসির ব্যবহারিক বিষয়ের আইসিটি ও ক্যারিয়ার শিৰায় নম্বর জালিয়াতির মুখে পড়ে তারা।
নম্বরপত্র তৈরিতে সংশিস্নষ্ট শিৰকরাই বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করায় সব কিছু জানাজানি হয়ে যায়। পরীৰায় দু’ ছাত্রই ভালোভাবে পাস করেছিল বলে জানান তারা। নম্বরপত্রে অসঙ্গতির কথা কেন্দ্র সচিবও স্বীকার করেছেন। ঘটনাটি ফলাও প্রচার পেলে পত্রিকা বিক্রিতে বাধা দিয়ে অভিযুক্তরা নিজেদের দম্ভই প্রকাশ করেছে। পরবর্তীতে অবশ্য পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে দায় অস্বীকারের ধুম পড়ে যায়। এ যেন সেই ‘ঠাকুর ঘরে কে-রে, আমি কলা খাই না’র পুনরাবৃত্তি।
শিৰালাভ ও পরীৰায় ভালো করতে শিৰার্থীদের প্রধান ভরসা শিৰক। সেই শিৰকই যদি সংকীর্ণ স্বার্থে শিৰার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলেন তখন বিষয়টি গুরম্নতর না হয়ে পারে না। এখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপৰের তদনেৱর ওপরই সবকিছু নির্ভর করছে। সুষ্ঠু তদনৱই পারে প্রকৃত দোষীদের মুখোশ খুলে দিতে। এ বিষয়ে দৃষ্টানৱমূলক ব্যবস’ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে কেউ এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিতে সাহসী না হয় তার নিশ্চয়তাই সবার কাম্য।

Leave a Reply