ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সংসৃ্কতির

13/05/2018 1:09 am0 commentsViews: 30

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক : অখ্যাত এক মেজরের ডাকে দেশবাসী মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, এটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছুই না। ৭ই মার্চেই তো বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি, যার যা কিছু আছে তা নিয়ে শত্র্ব মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়বে। সেই ভাষণ তো এখন বিশ্ব শ্রেষ্ঠ ভাষণগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে! এটাই সত্যের স্বীকৃতি।
গতকাল শনিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মধ্যে শিৰাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে সদর আসনের সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কেবল রাজনৈতিক, কূটনৈতিক বা অর্থনৈতিক নয়, বরং এ সম্পর্ক ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সংসৃ্কতির। তারা মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে এখন পর্যন্ত বন্ধু হিসেবে আমাদের পাশে আছে। বন্ধুত্বের হাত সবসময় কাঁধেই থাকে, পিঠের ওপর নয়। তারা এদেশের উপর কখনও কর্তৃত্ব ফলাতে চায়নি।’ এ সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের দেওয়া শিৰাবৃত্তি দুই দেশের মধ্যেকার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজর্বল ইসলাম মিলনায়তনে রাজশাহী বিভাগের ২৬৬ জন উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধা সন্তানকে শিৰাবৃত্তি প্রদান করা হয়। রাজশাহীর সহকারী ভারতীয় হাইকমিশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সহকারী হাইকমিশনার অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিৰার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন প্রধান অতিথি সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন রাবি ভিসি অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান ও রাজশাহী মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ডা. আব্দুল মান্নান।
রাবি ভিসি বলেন, দেশের দুইটি সংবাদপত্র আছে, যারা সবসময়ই শেখ হাসিনার তীব্র বিরোধী। অন্য কেউ যেকোনোভাবে ৰমতায় আসুক, কিন্তু শেখ হাসিনাকে তারা ৰমতায় দেখতে চায় না। তাই দেশে শত উন্নয়ন হলেও তারা দেখতে পায় না, তাদের পত্রিকায় আসে না। কিন্তু তাদেরকে জড়িয়ে দুর্নীতির খবর বের করার জন্য উন্মুখ থাকে।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন রাজশাহীস্থ সহকারী ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব অজয় কুমার মিশ্র। এ সময় অন্যদের মধ্যে সহকারী ভারতীয় হাইকমিশনারের পত্নী পত্রালিকা চট্রোপাধ্যায়ও উপস্তিত ছিলেন।
বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের দেশব্যাপী প্রকল্পের আওতায় আগামী পাঁচ বছরে মোট ১০ হাজার মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে ৩৫ কোটি টাকা শিৰাবৃত্তি দেওয়া হবে। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের প্রত্যেক শিৰার্থী এককালীন ২০ হাজার টাকা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিৰার্থীরা এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে পাবে।

Leave a Reply