বৈশাখেই পাকা আম

12/05/2018 1:04 am0 commentsViews: 26

সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাসেই পাকা আমের স্বাদ পাওয়া যায়। তবে বৈশাখেই পাকে এমন আমের সন্ধান পাওয়া গেছে এই নগরীতে। পত্রিকায় তার ফলাও প্রচারও দেখা গেছে।
রাজশাহী শহরেই একটি আজানা জাতের আম গাছ পাওয়া গেছে যার আম পেকেছে বৈশাখ মাসেই। বেশ কয়েকবছর ধরেই এই আঁটি আম পাকছে সবার আগে। হলুদ রং ও সুগন্ধিযুক্ত এই আমের গড় ওজন ৪শ’ গ্রাম। আর গাছের উচ্চতা প্রায় ২৫ ফুট। পাঁচ বছর ধরে গাছটি ৬ থেকে ৮ মণ করে আম দিয়ে যাচ্ছে। এবার ধরেছে প্রায় ৮ মণের মত। এর মধ্যেই ৬ মণ আম বিক্রি হয়ে গেছে। এই জাত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হলে রাজশাহীর আমের মৌসুম এগিয়ে আসার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
রাজশাহীস্থ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের নার্সারি থেকেই ২০০১ সালে উন্নত জাতের কলম চারা হিসেবেই গাছটি কিনেছিলেন জনৈক গৃহস্থ। ৬ বছর পর প্রথম ধরে আম। মাত্র ২টি। পরের বছর ২৫টি, তারপরে ৮২টি আম পাওয়া যায়। এভাবে বাড়তে থাকে এবং এখন ৬ থেকে ৮ মণ আম ধরছে প্রতিবছর। মণপ্রতি ৬ হাজার টাকা হিসাবে এই গাছটি থেকেই প্রায় ৪০ হাজার টাকা পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যান্য জাতের আমের মতো ফাল্গুন মাসে মুকুল আসলেও এই গাছের আম বাড়ে দ্র্বত এবং পাকেও আগে। হর্টিকালচার ও কৃষি বিভাগের উদ্যোগে এই জাতটির সম্প্রসারণ করা হলে তার বাণিজ্যিক গুর্বত্বও কম নয়। তাই পরিকল্পিতভাবে কলম করা বা অন্যভাবে সম্প্রসারণ করা গেলে রাজশাহীর আমের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
রাজশাহীর আমের কদর আছে দেশ-বিদেশে। এ ধরনের নতুন জাত আবিস্কার নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক। এর ফলে আমের মৌসুম দীর্ঘায়িত হবে। এ থেকে আমের বাজার সম্প্রসারিত হবার মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হবে সংশিৱষ্টরা। বিষয়টি তাই গুর্বত্ব দাবি করে।

Leave a Reply